রংপুর: রংপুরের সাত মাথায় ছাত্র অপহরণকারীদের ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে বিকাশ ব্যবসায়ীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশের এএসপিসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বিপুল সংখ্যক রাবার বুলেট ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় রাজধানী ঢাকার সাথে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়ে। প্রায় দেড়ঘণ্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১১ জনকে আটক করেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মাহিগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, কারমাইকেল কলেজের ছাত্র জহুরুল ইসলামকে অপহরণ করে একটি চক্র। এ ঘটনা জানানো হলে পুলিশ অপহরণকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। এ সময় অপহরণকারীদের কয়েকজন মাহিগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত খন্দকার টেলিকম নামে এক বিকাশ ব্যবসায়ীর দোকানে মুক্তিপণের টাকা নিতে যায়। পুলিশ মোবাইল ট্রেকারের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে ওই দোকানে যায়। এসময় বিকাশ ব্যবসায়ী শামিম ও তার লোকজন এসআই (উপ পরিদর্শক) শাহ আলমের উপর হামলা চালিয়ে অস্ত্র কেড়ে নেবার চেষ্টা করে এবং ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে মারধর করে। ফলে পুলিশের সঙ্গে বিকাশ ব্যবসায়ী ও তার লোকজনের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড শর্ট গানের গুলি ও রাবার বুলেট বর্ষণ করে। সংঘর্ষে পুলিশের এএসপি আতাউর রহমান ও ৫ পুলিশসহ ২০ জন আহত হন। গুলিবিদ্ধ ৫ জনকে আহত অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিকাশ ব্যবসায়ী শামিমসহ ১১ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
রংপুর সহকারী পুলিশ সুপার আতাউর রহমান জানান, এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।