• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৯ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পার্বতীপুরে আসছে ভারতীয় ডিজেল

পার্বতীপুর স্টেশনসিসি ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বহুমাত্রিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক গড়ে তুলছে বাংলাদেশ। ভারত থেকে ইতোমধ্যে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করেছে বাংলাদেশ। আঞ্চলিক সহযোগিতার মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় গ্রিডলাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ আমদানির চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জমি ব্যবহার করে নিজ দেশের অন্যান্য রাজ্যে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে চায় ভারত। সে লক্ষ্যে দুদেশ কাজ করছে। ত্রিপুরা থেকে ২৩ মার্চ আসছে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। সর্বশেষ জ্বালানি তেল আমদানির মাধ্যমে এ সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে।

ভারতের নুমালিগড় থেকে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১০ লাখ টন ডিজেল আমদানি করবে বাংলাদেশ। প্রায় তিন বছর নানা প্রক্রিয়া শেষে ভারতের পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছে বিপিসি। সেই ধারাবাহিকতায় শুরুতে প্রায় ২২০০ মেট্রিকটন ডিজেল বাংলাদেশকে সরবরাহ করছে ভারত।

এই ডিজেল ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড থেকে শিলিগুড়ি হয়ে দিনাজপুরের পার্বতীপুর পর্যন্ত আসবে রেলওয়ের ওয়াগনে। কাল (শনিবার) প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু এবং বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা তা গ্রহণ করবেন।

বিপিসি সূত্র জানায়, গতকাল শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল স্টেশনে তেলবাহী ট্রেনের যাত্রা উদ্বোধন করেন ভারতের পেট্রোলিয়াম ও এনার্জিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ট্রেনটি আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার রহনপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছবে। পরে রহনপুর থেকে পার্বতীপুর স্টেশনে আসবে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ-ভারত দুদেশের বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিক সমীক্ষাসহ তেল আমদানির রুট নির্ধারণ করেছে। প্রাথমিকভাবে তেল আমদানিতে তিনটি রুট নিয়ে আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কম দূরত্বের রুট নির্ধারণ করতে বলেন সংশ্লিষ্টদের। দুদেশের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী রুট নির্ধারণ করেন।

বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে একটি এমওইউ স্বাক্ষর করেছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে ভারতের আসামের গোলাঘাট থেকে পার্বতীপুর জ্বালানি তেল ডিপো পর্যন্ত তেল আসবে। বছরে এর পরিমাণ হবে ১০ লাখ টন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ