• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ব্রহ্মপুত্রের নাব্যতা হ্রাস: ৪০টি নৌরোড বন্ধ

Captureফয়েজী, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম): ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা অস্বাভাবিকভাবে হ্রাস পাওয়ায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর জেলার ৮টি উপজেলার ৪০টি নৌপথ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে নৌপথে চলাচলকারী মানুষেরা পড়েছে দুর্ভোগে, নৌকার মালিক ,মাঝি-মাল্লা ও কুলিরা পড়েছে অভাবে ,ঘ্টা ইজারাদারেরা পড়েছে ব্যবসা সংকটে। কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী, রাজিবপুর, চিলমারী, উলিপুর ও কুড়িগ্রাম সদর, গাইবান্ধার ফুলছড়ি, জামালপুরের ইসলামপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার  যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম নৌপথ। কিন্তু চলতি বছর পানি কমার সাথে সাথে নদীর বুকে এক হাজারেরও অধিক বালুচর জেগে ওঠায় বন্ধ হয়ে গেছে ৪০ টিরও বেশি নৌ রোট। চিলমারী উপজেলার ৫টি, রৌমারীর ৩টি, রাজিবপুরের ২টি, কুড়িগ্রাম সদরের ২টি, গাইবান্ধা সদরের ৭টি, ফুলছড়ির ১০টি, ইসলামপুরের ৩টি, দেওয়ানগঞ্জের ৫টি নৌঘাট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়েগেছে। এতে করে ১৫ লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগের ক্ষেত্রে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়েছে। রৌমারীর নৌঘাট ইজারাদার আব্দুস সবুর জানান ৬ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে লিজ নেওয়ার ৬ মাসের মধ্যে ঘাট বন্ধ হয়ে গেছে প্রায়।নদীতে পানি না থাকায় চরের লোকজন পায়ে হেটে হাটবাজারে যাতায়াত করছে। এতে করে তাকে পুরো টাকায় ক্ষতি পুষতে হচ্ছে।
রাজিবপুর নৌ ব্যবসায়ী তৈয়ব আলী জানান, ২টি নৌকার উপরে তার সংসারের ব্যয় নির্ভর করতে হয়। কিন্তু  নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় নৌকা দুটি শুকনায় পড়ে আছে। এতে করে বন্ধ হয়েছে তার আয়ের পথ। রৌমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক জানান নদীতে পানি না থাকায়, চিলমারী নৌবন্ধর, ফুলুয়ারচর ঘাট, মদাব্যাপারীর ঘাট, চাক্তাবাড়ি ঘাট, কুটির চর ঘাট, রাজিবপুর নৌঘাট প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে স্থানীয় নৌরুট সংশ্লিষ্টদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। যাত্রীরা পড়েছে মারাত্মক সমস্যায়। আর যে কয়টি রুট চালু আছে সেপথ দিয়েও নৌকা চলাচল করছে চার গুণ পথ বেশি ঘুরে ঘুরে। রাজিবপুর ঘাটের সদর উদ্দিন জানান,নদী শুকিয়ে চর পরায় এই ঘাটে আসতে প্রায় ২ কিলোমিটার পথ যাত্রীদের পায়ে হেটে আসতে হচ্ছে। ফলে লোকজন কমে যাচ্ছে।
জানা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে এই অঞ্চলের নদ-নদীর উপর। ক্রমাগত নদীভাঙ্গনের ফলে নদীগুলোর নাব্যতা হ্রাসের ফলে স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি হারিয়ে ফেলছে এসব নদী। আর এর প্রভাব পড়ছে জনজীবনে। নানা ধরণের দুর্ভোগ নিয়ে নৌ পথে চলাচল করতে হচ্ছে নৌপথে চলাচলকারী মানুষজনকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ