ঢাকা: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর আগে তাকে অর্থ পাচার মামলায় আটক করে থানায় নিয়ে যায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা।
গুলশানের বাড়ি থেকে বুধবার রাতে আটকের পর তাকে প্রথমে গুলশান থানায় নিয়ে যান দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা। এরপর তাকে রমনা থানায় পাঠানো হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা অঞ্চলের সহকারী কমিশনার শিবলী নোমান বলেন, বিএনপি নেতাকে দুদকের মামলাটিতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
মুদ্রা পাচারের অভিযোগে দুদক রমনা থানায় গত ৬ ফেব্রুয়ারি এই মামলাটি করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালে খন্দকার মোশাররফ ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা পাচার করেছেন। এই মামলায় মোশাররফ হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিলেও আপিল বিভাগ গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তা বাতিল করে।
খালেদার নিন্দা
খন্দকার মোশাররফকে আটকের নিন্দা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, নেতাদের গ্রেপ্তার করে বিরোধী দলের আন্দোলন স্তব্ধ করা যাবে না। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যকে বুধবার রাতে আটক করে থানায় নেয়ার পর দলীয় চেয়ারপারসন এক বিবৃতিতে সরকারকে এই হুঁশিয়ারি দেন।
খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে অবিলম্বে তাকে ছেড়ে দেয়ার দাবি জানান খালেদা। তিনি বলেন,“বর্তমান অবৈধ সরকার বিরোধী দলকে ধ্বংসের উদ্দেশ্যে ধারাবাহিকভাবে চক্রান্তের জাল বুনে যাচ্ছে। খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে গ্রেপ্তার সেই চক্রান্তেরই অংশ। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ ভাবছে, বিরোধী নেতা-কর্মীদের কারাগারে অন্তরীণ রাখতে পারলেই আন্দোলন স্তব্ধ হয়ে যাবে। এই ভ্রান্ত ধারণা এবং অলীক স্বপ্নই তাদের জন্য একদিন কাল হবে।”