
ঢাকা: জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের গুপ্তচর ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। শনিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে বঙ্গবন্ধু একাডেমি আয়োজিত চলমান রাজনীতি বিষয়ে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাছান মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান স্বেচ্ছায় মুক্তিযুদ্ধে যাননি। পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করেছে। তিনি পাকিস্তানে গিয়ে যুদ্ধ করেননি। তিনি ছিলেন পাকিস্তানের গুপ্তচর।
তৎকালীন পাক সেনা কর্মকর্তা বেগ স্বাক্ষরিত জিয়াউর রহমানের কাছে প্রেরিত একটি চিঠি হাছান মাহমুদ সাংবাদিকদের কাছে প্রমাণস্বরূপ উত্থাপন করেন।চিঠিতে লেখা আছে : তোমার স্ত্রী-সন্তান আমাদের কাছে হেফাজতে আছে। তুমি কোনো চিন্তা করো না।
হাছান মাহমুদ বলেন, একাত্তর সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই সরকার গঠিত হয়েছিল এবং তিনি ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তখন একজন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাকে দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার প্রয়োজন ছিল। তাই তিনি মেজর জিয়াউর রহমানকে দিয়ে ২৭ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা দেওয়ার কথা বলেন। তারপর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এটা সবাই জানে এবং তখনকার সময়ের দেশি-বিদেশি সকল পত্রপত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়েছে।
তিনি খালেদা জিয়ার উদ্দেশে মন্তব্য করেন, আজ তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে মিথ্যাচার করছেন। যে জন্মের তারিখ নিয়ে মিথ্যাচার করতে পারেন, তিনি সবকিছু নিয়ে মিথ্যাচার করতে পারেন। এতে করে সংবিধান লঙ্ঘন হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। যারা সংবিধান লঙ্ঘন করেছে তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান হাছান মাহমুদ।
সংগঠনের উপদেষ্টা চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হেমায়েত উদ্দিন, সাম্যবাদী দলের নেতা হারুন চৌধুরী, জাসদ নেতা হুমায়ুন কবির, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি প্রমুখ।