• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা সৈয়দপুরে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

রাজারহাটে তিস্তা নদীতে হাঁটু পানি

Rajarhat News Pic-30-03-14রফিকুল ইসলাম, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম):  সেই বর্ষাকালের রাক্ষুসী রূপ ধারণ করা কুড়িগ্রামের রাজারহাটে তিস্তা নদীতে এখন হাঁটু পানি । ফলে কয়েকটি সেচ প্রকল্প বন্ধ হয়ে গেছে। অথচ প্রতি বছর বর্ষা মওসুমে তিস্তা নদীতে পানি ভরে যাওয়ার ফলে ওই এলাকায় বন্যা ও প্রচন্ড ভাঙ্গন দেখা দেয়।
একসময় তিস্তা নদীতে সারা বছর জুড়ে সহস্রাধিক মৎস্য জীবি পরিবারগুলো মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসতো। কিন্তু গত ৩ বছর ধরে শুস্ক মওসুমে নদীতে হাঁটু পানি।  আবার কোথাও কোথাও একেবারে পানি না থাকায় ওইসব মৎস্য জীবি পরিবার গুলো বেকার হয়ে পড়েছে। অপর দিকে তিস্তা নদী থেকে পানি  উত্তোলন করে বোরো চাষ করতো এলাকার চাষীরা। কিন্তু তিস্তা নদীতে পানি না থাকার কারনে এসব সেচ প্রকল্প গুলো একেবারে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে নদীর তীরবর্তী এলাকার প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে বোরো চাষ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে একাধিক বোরো চাষীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বিদ্যানন্দের সোলাগাড়ীর চাষী আঃ কাদের (৬৫) জানান, নদীর পানির ব্যবহার করে  ১০ গ্রামের মানুষ বোরো চাষাবাদ করতো। নদীতে পানি না থাকার কারনে তারা পানি সংকটে রয়েছে। তবে এবারে তিস্তা নদীর চরে আলুসহ অন্যান্য ফসল ব্যাপক চাষাবাদ হয়েছে। বিদ্যানন্দ গিয়ে দেখা যায়  হাঁটু পানির উপর দিয়ে মানুষ হেঁটে চলাচল করছে। এদিকে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার ফলে বিশুদ্ধ পানির জন্য বসানো নলকুপ গুলোতে তেমন পানি উঠছেনা বলে জানান ওই এলাকার স্থানীয় সাংবাদিক মোঃ আলতাফ হোসেন সরকার (৩৮)। তিস্তা নদীতে অসংখ্য চর জেগে ওঠায় নৌকা চলাচল বন্ধ রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে তিস্তা নদীতে বর্ষা মওসুমে পানিতে ভরে যায় এবং নদীর তীরে তীব্র ভাঙ্গনে প্রতি বর্ষা মওসুমে এ উপজেলার তিস্তার তীরবর্তী শত শত মানুষ সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে অনেকের ঠাঁই হয়েছে বাঁধ রাস্তা সহ সরকারী স্থাপনা গুলোতে। অথচ শুস্ক মওসুমে অসংখ্য চর জেগে উঠায় নদীর পানি ৩/৪ ভাগে বিভক্ত  হয়ে প্রবাহিত হয়ে রাুসী তিস্তা নদী এখন ধূ-ধূ বালু চরে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে নদীটি ড্রেজিংসহ ভাঙ্গন রোধ কল্পে সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে আশু হস্তপে কামনা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ