• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

টাকা নিয়ে ২ মুক্তিযোদ্ধার হাতাহাতি

Dinajpurদিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন বাবলু’র সাথে ঠিকাদার নূরুল ইসলামের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার বিকেলে জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মানে ঠিকাদারী পেয়ে ঠিকাদার ও মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সাবেক জেলা কমান্ডার মোকাদ্দেস হোসেন বাবলুর হাতে ১১ লাখ টাকা অনুদান দেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে দ্বিতল ভবন নির্মানের জন্য। কিন্তু ওই টাকা  মুক্তিযোদ্ধা সংসদে জমা হয়নি এবং দ্বিতল ভবনও নির্মান হয়নি। এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। কিছুদিন আগে সাবেক ডেপুটি কমান্ডার সিদ্দিক গজনবীর সাথেও কমান্ডার বাবলুর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঠিকাদার নুরুল ইসলাম প্রকাশ্যেই বলেন যে, তিনি ১১ লাখ টাকা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জন্য সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন বাবলুর হাতে দিয়েছিলেন, কিন্তু সেই টাকা জমা হয়নি। তার এই বক্তব্যের পর গত বুধবার বাবলু ও নুরুল ইসলাম ঠিকাদার একই সময়ে জেলা পরিষদ প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হন। এই সময় ২৬ মার্চের বক্তব্য নিয়ে ২ জনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় ও হাতিহাতি হয়।
এ বিষয়ে ঠিকাদার নুরল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন বাবলু তাকে লাঞ্চিত করেছে। তবে সৈয়দ মোকাদ্দেস হোসেন বাবলু মারামারির ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, তাদের মধ্যে সামান্য তর্ক-বিতর্ক হয়েছে মাত্র।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ