বিশেষ প্রতিনিধি: সৈয়দপুরে কিস্তিতে অটো রিক্সা দেওয়ার নামে ২০ জন ব্যক্তির কাছে প্রায় ১৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার প্রতারনার শিকার হওয়া একাধিক ব্যক্তি এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগে জানা যায়, সৈয়দপুর শহরের বঙ্গবন্ধু সড়ক সংলগ্ন রনি আহমেদ নামের এক ব্যক্তি মেসার্স অক্কি মটরস নামকরণ দিয়ে অটো রিক্সা নগদ ও কিস্তিতে বিক্রির চেম্বার খুলে বসেন প্রায় ৩ বছর আগে। প্রথমদিকে নগদ ২/৩ টি ও কিস্তিতে ৫/৬টি অটো রিক্সা বিক্রি করায় শহর ও গ্রামের সরল শান্ত মানুষ চড়া সুদে ঋণের টাকা নিয়ে ছুটে যায় ওই অক্ব মটরস ডিলারের কাছে। সেখানে একেকটি অটোরিক্সার মুল্য ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা নির্ধারন করে অগ্রিম ৭০/৭৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে আগামী ১০ দিনের মধ্যে অটোরিক্সা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। কিন্তু পরে মেসার্স অক্বি মটরস ডিলার রনি আহমেদের দেয়া প্রতিশ্রুতির ১ থেকে দেড় মাস পেরিয়ে গেলেও কাউকেই অটোরিক্সা প্রদান করা হয়নি বলে জানা যায়। এর ফলে গত সোমবার শহরের নতুন বাবু পাড়া এলাকার আজিজার রহমানের ছেলে শরিফুল ইসলাম, মুন্সিপাড়া এলাকা তোজাম্মেল হকের ছেলে আব্দুল মান্নান ও আব্দুল হামিদের ছেলে শাকিল আহমেদ সহ বাঙ্গালী নিজ পাড়া এলাকার মুসা হাজির ছেলে নয়ন শহরের ৭ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কায়সার আলীকে অভিযোগ করলে তিনি ওই অটোরিক্সা ডিলার রনিকে আটক করে এক সালিশী বৈঠকের ডাক দেয়। পরে ওই সালিশে প্রতারনার শিকার হওয়া ৪ জনকে আগামী ১ মাসের মধ্যে ৪টি অটোরিক্সা প্রদান অথবা ৪ জনের দেয়া ২ লাখ ৭২ হাজার টাকা ফেরত দেয়ার অঙ্গীকার করা হয়। তবে বাকী আরও প্রায় ১৬ জন ব্যক্তি তাদের পাওনা টাকা উদ্ধারের চেষ্টায় মেসার্স অক্বি মটরস ডিলার রনি আহমেদকে হন্যে হয়ে খুজে ফিরছেন।
এ ব্যাপারে অক্বি মটরস ডিলার রনি আহমদের সাথে যোগাযোগ করার বারবার চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। কথা হয় স্থানীয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সহিদার রহমানের সাথে। তিনি বলেন এ ব্যাপারে কেউ যদি প্রমান সাপেে অভিযোগ করেন তাহলে অভিযোগ দাখিলের সাথে সাথে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।