
সি সি ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ‘ব্লাউজের মজুরি ২৫ হাজার টাকা’ বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।
জাতীয় সংসদে প্রথম অধিবেশনে সোমবারের বৈঠকে পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি এমন মন্তব্য করেন। একটি পত্রিকায় প্রকাশিত ‘খালেদা জিয়া অর্থকষ্টে আছেন’ এমন সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘জিয়া মারা যাওয়ার সময় কিচ্ছু রেখে যায়নি। তিনি ফকির দরবেশ হয়ে মারা গেছেন। তার ছেলের এতো এতো টাকা। অথচ তিনি অর্থকষ্টে আছেন। কিন্তু আমরা তো দেখি, ছেলে ওখান থেকে হুয়াক্কা করলে এখানে হুয়া হুয়া শুরু হয়ে যায়। খালেদার পরনের শাড়ির এক মিটারের দামই ৫০০ ইউএস ডলার। ব্লাউজ বানানোর মজুরি ২৫ হাজার টাকা দেন। পরচুলার দাম কতো দেন সেটা জানি না।’
তিনি আরো বলেন, ‘এরশাদের কাছ থেকে পাওয়া গুলশানের বাড়ি ভাড়া নিয়েও তার সংসার খরচ চলে না। তিনি একা। তার দুই ছেলে বিদেশে থাকেন। গুলশানে বাড়ি পেয়ে ক্যান্টনমেন্টে তার বাড়ি ছাড়ার কথা ছিল। তিনি ছাড়েননি। উল্টো কোয়ার্টার গার্ডের বাড়িও তার আওতায় নিয়ে আসেন। ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এ বাড়ি খালি করার যখন নোটিশ দিল, তখন নিজ থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়ে মামলায় হারলেন। পরে বোর্ড তাকে বাড়ি থেকে উচ্ছ্বেদ করে। সেদিন তিনি অনেক নাটক করেছিলেন। তিনি ভেবেছিলেন, সকাল হলে সিপাহী জনতা ক্যান্টনমেন্ট এসে তাকে উদ্ধার করবে। কিন্তু সিপাহীও জাগে না, জনতাও আসে না।’ ‘এ বাড়িতে এখন বহুতল ভবন আছে। একটি ফ্যামিলি যে জায়গায় থাকতো, সেখানে ১৫০ জনেরও বেশি সেনা অফিসারের আবাসন সমস্যা সমাধান হয়েছে।’ যোগ করেন কৃষিমন্ত্রী। খালেদা জিয়া ‘ইনকাম ট্যাক্স ক্লিয়ার করেন না’ মন্তব্য করে মতিয়া বলেন, ‘তার ইনকাম ট্যাক্স ফাইল এখনো ক্লিয়ার না। এটা আমি অথেনটিসিটি নিয়েই বলছি। বর্তমানে তিনি ৫০ হাজারের সঙ্গে আরো দুই লাখ টাকা তোলার অনুমতি নিয়েছেন। আড়াইলাখ টাকায়ও তার মাস চলে না?’ আওয়ামী লীগের এ প্রেসিডিয়াম সদস্য আরো বলেন, ‘খালেদার আরো সিরিজ আমরা দেখতে পাবো। পরবর্তী অধ্যায়ে সেগুলো দেখার জন্য বাংলার মানুষ অপেক্ষা করছে। মিথ্যা দিয়ে মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করা যায় না।’এর আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে বক্তব্য দেন গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন।