• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক নির্বাচনে সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ

Greemen Bankসিসি নিউজ: বর্তমান পরিচালনা পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই নতুন পরিচালক নির্বাচনে সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান পরিচালনা পরিষদ।

শুক্রবার ব্যাংকটির পরিচালকদের পক্ষে পরিচালক তাহসিনা খাতুন এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান পরিচালনা পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই সরকার আগামী পাঁচ অক্টোবরের মধ্যেই গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য নতুন পরিচালনা পরিষদ গঠন করে ব্যাংকটিকে ধ্বংস করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা গ্রামীণ ব্যাংকের বর্তমান পরিচালকেরা শুরু থেকেই এই নতুন পদ্ধতিতে নির্বাচনের বিরোধিতা করে আসছি। বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতিতে গ্রামীণ ব্যাংকের কেন্দ্র থেকে ভোটের মাধ্যমে শাখা প্রতিনিধি, শাখা থেকে ভোটের মাধ্যমে এরিয়া প্রতিনিধি, এরিয়া থেকে ভোটের মাধ্যমে যোন প্রতিনিধি এবং সবশেষে যোন প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে ভোটের মাধ্যমে পরিচালনা পরিষদের ৯টি পরিচালক পদে প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে থাকে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘সরকারের কোনো কোনো মন্ত্রী বলেন যে, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর পছন্দের লোকদেরই কেবল গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদে নির্বাচিত করেন। কিন্তু যে পদ্ধতিতে গ্রামীণ ব্যাংকের আড়াই হাজারের বেশি শাখা থেকে শাখা প্রতিনিধি এবং এরপর ধাপে ধাপে এরিয়া, যোন ও অঞ্চল প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে থাকে তাতে এই নির্বাচনকে প্রভাবিত করার কোনো সুযোগ কারো নেই। বিগত তিন দশক ধরে এই পদ্ধতিতেই সদস্যরা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের পরিচালক নির্বাচন করে আসছে।

বিবৃতিতে বলা হয়,সদস্যদের মধ্য থেকে বা অন্য কোন মহল থেকে এ বিষয়ে কখনো কোন অভিযোগ ওঠেনি। গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ বা নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কোন ধরণের অনিয়ম বা দুর্নীতির কোন অভিযোগও কখনো ওঠেনি। এই পদ্ধতিতে গঠিত পরিচালনা পরিষদের অধীনেই গ্রামীণ ব্যাংক এখন পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে। দেশের জন্য নোবেল পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মান বয়ে এনেছে গ্রামীণ ব্যাংক।

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, বর্তমান নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মেয়াদ শেষ হবার আগেই এই নতুন প্রক্রিয়ায় প্রতিনিধি নির্বাচনের তোড়জোড় যে বিশেষ উদ্দেশ্য প্রণোদিত তা বুঝতে কারো কষ্ট হবার কথা নয়। জাতীয় সংসদ বা উপজেলা নির্বাচনের আদলে গ্রামীণ ব্যাংকের আড়াই হাজার শাখার ৮৪ লক্ষ সদস্যদের ভোটে একযোগে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে গেলে যে কী হাঙ্গামার সৃষ্টি হবে তা বুঝতে কারো কষ্ট হবার কথা নয়।

সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা গ্রামীণ ব্যাংকের নির্বাচিত পরিচালকরা গ্রামীণ ব্যাংক ধ্বংস করার সরকারি ষড়যন্ত্রের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং গত ৩ দশকেরও বেশি সময় ধরে গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যরা যে পদ্ধতিতে তাদের পরিচালক নির্বাচন করে আসছে তা বহাল রাখার দাবি জানাচ্ছি।

উৎসঃ   শীর্ষ নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ