আন্তর্জাতিক ডেস্ক: স্থানীয় এক যুবকের সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ান কলকাতার নদিয়া জেলার হরিণঘাটা এলাকার চম্পা সরকার। কিন্তু পরকীয়ায় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিলেন স্বামী৷ তাই রীতিমত ঠাণ্ডা মাথায় নিজের তিন বছরের মেয়েকেই খুন করলেন মা। উদ্দেশ্য, মেয়ের খুনের অভিযোগ স্বামীর উপর চাপিয়ে স্বামীকে জেলে পুরবেন। তার পর সুখে-শান্তিতে ঘর বাঁধবেন প্রেমিকের সঙ্গে৷কিন্তু সত্যি চাপা থাকে না। শেষে পুলিশের জেরার মুখে ভেঙে পড়ে মা চম্পা সরকার নিজের অপরাধ কবুল করলেন।
দিঘা মোহানা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার কাঁথি মহকুমা আদালত ধৃতকে চারদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে চম্পা মেয়ে আকৃতিকে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে অচৈতন্য অবস্থায় নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা আকৃতিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। চম্পা চিকিৎসকদের জানান, তাঁর স্বামীর হাতে চড় খেয়ে আকৃতি অসুস্থ হয়ে পড়ে৷এর পরই আনন্দবাবু নাকি পালিয়ে যান। চিকিৎসকরা খবর দেওয়া দেন থানায়৷ এর পরই চম্পাকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য পায় পুলিশ৷ সোমবার রাতে স্বামী আনন্দ সরকারের পরিচয়ে প্রেমিককে নিয়ে নিউ দিঘার একটি হোটেলে ওঠেন চম্পা৷যদিও আনন্দ সরকার আদতে কর্মসূত্রে শহরের বাইরে রয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে চম্পা নিজের মেয়ে আকৃতিকে খুন করে বলে জানিয়েছে কাঁথি মহকুমা থানার পুলিশ। পুলিশের দাবি, মেয়েকে খুন করে স্বামীর ঘাড়ে দোষ চাপানোই চম্পার মূল উদ্দেশ্য ছিল। প্রেমিক যুবকের খোঁজ চলছে। দ্রুতই তাকেও গ্রেপ্তার করা হবে।