• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে ‘বাংলাদেশের উপকূলে’

Timeআন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার একটি ভূতাত্ত্বিক জরিপ কোম্পানি জানিয়েছে যে তাদের কাছে যে প্রমাণ আছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে মালয়েশিয়ার নিখোঁজ বিমানটি বাংলাদেশের উপকূলে বিধ্বস্ত হয়েছে।
বিশ্বখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন বুধবার এ খবর প্রকাশ করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে যে কথা বলা হচ্ছে তা সত্য নয়।
চার্লি ক্যাম্পবেলের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়া কোম্পানি জিওরিজোন্যান্স জানিয়েছে, তাদের কাছে যে তথ্য প্রমাণ এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে বিমানটি বাংলাদেশে ১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগের বিধ্বস্ত হয়েছে।
এখন পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর থেকে প্রায় ৫,০০০ কিলোমিটার দূরে ভারত মহাসাগরে বিমানটির অনুসন্ধান চলছে।
জিওরিজোন্যান্স জানায়, তারা রেডিয়েশন স্ক্যানিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে  খনিজ ও ধাতবের অবস্থান নির্ধারণ করে থাকে। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগের ও পরের ইমেজ তুলনা করে বঙ্গোপসাগরে তারা আকস্মিকভাবে অ্যালুমিলিয়ামের সন্ধান পান।
নিখোঁজ বিমানটির (বোয়িং ৭৭৭) প্রধান উপকরণ ছিল অ্যালুমিনিয়াম। এছাড়া পাওয়া গেছে টিটেনিয়ামসহ বিমানের নানা উপকরণের সন্ধান।
গত ৮ মার্চ কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে ২৩৯জন আরোহী নিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় মালয়েশিয়ার বিমানটি।
কোম্পনির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা সফলভাবে ডুবে যাওয়া কাঠামো, জাহাজ ও বিমানের অবস্থান নির্ধারণ করে আসছেন।
কোম্পানির দাবি, তারা জোর দিয়েই বলছে না যে তারা যেসব উপকরণের সন্ধান পেয়েছে তা নিখোঁজ বিমানেরই। তবে তাদের প্রাপ্ত বিষয়গুলো নিয়ে আরো অনুসন্ধান করা উচিৎ।
তবে নিখোঁজ বিমানের সন্ধানে কর্মরত আন্তর্জাতিক বাহিনীর সমন্বয়কারী অস্ট্রেলিয়া ভিত্তিক দা জয়েন্ট অজেন্সি কোঅর্ডিনেশন সেন্টার জিওরিজোন্যান্সের দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছে, তারা ভারত মহাসাগর থেকে যে চারবার সংকেত পেয়েছেন তা যে নিখোঁজ বিমানের সে ব্যাপারে তারা সন্তুষ্ট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ