• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

আজহারের থাপ্পড়ে ৪/৫ হাত দূরে গিয়ে পড়ি: সাক্ষী

Ajaherসিসি নিউজ: মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দুইজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রসিকিউশনের ১১ ও ১২তম সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য শেষে তাদের জেরার জন্য আগামীকাল বুধবার দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালে এ সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
১১তম সাক্ষী জাসদ রংপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ও প্যারামাউন্ট ইন্সুরেন্স কোম্পানির রংপুরের ব্যবস্থাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন রানা (৫৭) বলেন, ’৭১ সালের নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমাদের বাড়ির পাশে খোলা জায়গায় খেলতে ছিলাম। এমন সময় মাঠের পাশে রাস্তা দিয়ে মোটর সাইকেলে পাকিস্তানী পতাকা লাগিয়ে উত্তর দিক হতে রংপুর জেলা আল বদর বাহিনীর প্রধান এটিএম আজহারুল ইসলামকে যেতে দেখি।
তিনি বলেন, আমি তাকে দেখে জয় বাংলা স্লোগান দেই। এই স্লোগান শুনে আজহার সাহেব তার গাড়ি থামিয়ে দেন। গাড়িটি আমার কাছে আসে। আমি তার কাছে গেলে তিনি তার ডান হাত দিয়ে আমার ডান গালে জোড়ে থাপ্পড় মারেন। তাতে আমি চার-পাঁচ হাত দূরে গিয়ে পড়ি। সে সময়ে আজহারের কাছে অগ্নেয়াস্ত্র থাকায় আমার বন্ধুরা পালিয়ে যায়।
সাক্ষী বলেন, তখন আমিও কাদঁতে কাদঁতে বাড়ি গিয়ে সবাইকে এ ঘটনা বলি এবং থাপ্পড়ের দাগ দেখাই।
এরপর সাক্ষী তার ভাইকে নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে বলেন, ’৭১ সালের ১ ডিসেম্বর সকাল নয়টার দিকে আমার চতুর্থ ভাই রফিকুল ইসলাম নান্নু বড় ভাবীর জন্য কাপড় আনতে রংপুর শহরের গেলে আল বদর বাহিনীর সদস্যরা তাকে ধরে নিয়ে যায়। প্রথমে তাকে রাজাকার ক্যাম্পে নিয়ে যায়। পরে এটিএম আজহারের নির্দেশে কালো কাপড় দিয়ে মোড়ানো রিক্সায় করে রংপুর শহরের সেন্ট্রাল রোডস্থ বদর ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে ফ্যানের আংটার সঙ্গে ঝুলিয়ে নির্যাতন করা হয়।
সাক্ষী বলেন, এ ঘটনায় প্রথমে আমার বড় ভাই ওই বদর ক্যাম্পে গিয়ে আজহারের কাছে নান্নু ভাইকে ছেড়ে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। তাতে কাজ না হলে আমাদের পূর্ব পরিচিত অবাঙালি নাসিম ওসমান চাচাকে নিয়ে সুপারিশ করলে ভাইকে ছেড়ে দেয়া হয়। জ্ঞান ফিরে ভাই আমাদের তার নির্যাতনের কথা বলেন। এরপর সাক্ষী ডকে থাকা আজহারকে সনাক্ত করে জবানবন্দি শেষ করেন।
এরপর এ মামলায় ১২তম সাক্ষী নান্নু তার জবানবন্দি পেশ করেন।
উৎসঃ   আরটিএনএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ