রফিকুল ইসলাম, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় ৪০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত করণের লক্ষে ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে। ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও ক্লাষ্টারগণ সু-কৌশলে ভূয়া বিল ভাউচার তৈরী করে নামকাওয়াস্তে কিছু কাজ দেখিয়ে বিল উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে। রাজারহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর অত্র উপজেলায় ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৩০ হাজার টাকা করে ৪০টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১২ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে। গত ২০-০৫-২০১৪ ইং এর মধ্যে ওইসব প্রতিষ্ঠানের কাজ সমাপ্ত পূর্বক বিল ভাউচার জমা দেয়ার তারিখ নির্ধারণ করা হলেও এখন পর্যন্ত কাজ শুরু করা হয়নি। এদিকে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে ২০ মে ২০১৪ ইং এর মধ্যে কাজ সমাপ্ত পূর্বক বিল জমা দেয়ার জন্য নোটিশ টাঙ্গানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আকতারী পারভীনের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হলেও কোন অসুবিধা নেই এবং ২০ মে’১৪ নোটিশ প্রদান করার কথা তিনি স্বীকার করেছেন। কৈলাশকুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রওশন আলীর সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ২০ মে ২০১৪ ইং কাজ সমাপ্ত করার নির্দেশনা থাকলেও তার প্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে এখনো কাজ শুরু হয়নি। স্কুল খোলার পর কাজ শুরু করার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সবখানে জগা-খিচুরি অবস্থা বিরাজ করছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসএমসি’র একাধিক সভাপতি’র সঙ্গে ক্ষুদ্র মেরামতের কাজ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পূর্বেও ক্ষুদ্র মেরামতের কাজ সম্পর্কে তারা কিছুই জানেননি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান ও ক্লাষ্টারগণ ওই টাকা কি করেন? তারাই জানেন।