• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

সিহাবের অদম্য ইচ্ছা শক্তির কাছে হার মেনেছে অভাব

pp-2হাসান মাহমুদ, লালমনিরহাট: নিজের মনোবল ও অদম্য ইচ্ছা শক্তি থাকলে জীবনে যতই বাধা আসুক সব বাধা পেরিয়ে যে জীবনে সফলতা অর্জন করা সম্ভব ও জীবনে ভালো কছিু করতে যে নিজের ইচ্ছা শক্তি বড় তা প্রমান করেছেন লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা উচ্চ বিদ্যালয়র ছাত্র সিহাব। সে একজন ছাত্রই নন সবজি বিক্রেতাও বটে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে অবাক করে দিয়েছেন সবজি বিক্রয়তা সিহাব। পড়া-শুনার খরচ ও জীবাকা নির্বাহের জন্য দিনের বেলা বাজারে সবজি বিক্রয় করেন এবং রাতে বাড়ি ফিরে মনোনিবেশ করেন পাঠ্যপুস্তুকে। মা-বাবার ভালোবাসার ছায়া থেকে ছিটকে পরা সিহাব অভাবের কাছেও হার না মেনে অসীম দু:খ-কষ্টের মাঝেও টিকে আছেন ঢালহীন জীবন যুদ্ধে।
তার জন্মের ২ বছর পর মা মনোয়ারা বেগম দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। আর সবারেই জানা যে মা মারা গেলে বাবা হয়ে যায় পর। তার বাবা আব্দুল আজিজ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। মায়ের মৃত্যুর পর বাবা নতুন বিয়ে করেন এবং ঢাকায় পাড়ি জমায়। সেই থেকে সিহাব ও তার বড় ভাই নূরনবী একা পরে থাকেন, তাদের বাবা কোন খোঁজ রাখেন না। তবু থেমে ছিলেন না সিহাব সব বাধা পেড়িয়ে চোখের জল বিসর্জন দিয়ে স্বপ্ন পুরুনের আশায় প্রত্যেকটা সময় যুদ্ধ করে টিকে থাকছে এই সমাজের ফিরে না তাকানোর মানুষের ভীরে।
অভাব-অনটন দুই ভাইকে করে দেয় আলাদা, বড়ভাই নুরনবী ঢাকায় পাড়ি জমায় অর্থ উপার্জনের জন্য। তার মাঝেও থমকে যায়নি সিহাব এর পরাশুনা। সে ৮ বছর ধরে শাক বিক্রয় করে। বড়খাতা বাজারে প্রতিদিন মাটিতে বসে শাক বিক্রয় করিয়ে নিজের খাওয়া ও পরাশুনার খরচ চালান। সে অন্য মানুষের বাড়ীতে রাত টুকু কাটান সকাল হলে আবার কাজে চলে আসতে হয়।
তার সাথে কথা বলে জানা গেছে, নিজের শ্রমের টাকায় ভাল ফলাফল পাওয়া খুবই খুশি। পরীার ফরম পুরনে ৫ শত টাকা তার শিক দেন। আর বাকিটা নিজেই সংগ্রহ করেন।
একটু সহযোগিতা পেলে সিহাবের স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হবে । সমাজের হৃদবান মানুষের সহযোগিতা পেলে আর হয়ত তাকে পিছু হটতে হবে না সাফল্য অর্জনের মাধ্যমে বদলে দিতে পারে তার ভবিষৎ। তার স্বপ্ন ভবিষ্যতে বিসিএস পর্যন্ত পড়াশুনা করা কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণে পড়াশোনার খরচ চালিয়ে নেয়ার মতো ব্যবস্থা করবে কে? এমন শংকা সিহাব!


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ