পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোফাাইরুল ইসলাম ফারুক তার নিজের দোষ ঢাকতে তড়িঘড়ি করে উপজেলা চত্তরে ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের সমিতির ঘরে (হেরেমখানা) ১০ থেকে ১২ জন সাংবাদিক ডেকে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের সমিতির রুমে (হেরেমখানা) পলাশবাড়ী ইউপির চেয়ারম্যান মোফাাইরুল ইসলাম ফারুক লিখিত বক্তব্য ছাড়াই এক সংবাদ সম্মেলনে আয়োজন করেন। কোন বক্তব্য ছাড়াই তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্দনে পার্বতীপুর মডেল থানায় তার রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ুন্নের লে হয়রানীমূল মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলা পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্যে আটরাই গ্রামের গৃহবধু সায়মা খাতুন প্রতিবেশী মোঃ নুর আলমের পুত্র মুদি দোকানদার মোঃ সাগরকে (২৮) চার দফায় ৬৭ হাজার টাকা ধার দেয়। পরবর্তীতে ওই গৃহবধু টাকা ফেরত চাইতে গেলে সাগর তাল-বাহানা করতে থাকে। নিরুপায় গৃহবধু বিষয়টি থানা ও চেয়ারম্যানকে লিখিতভাবে অভিযোগ দেয়। চেয়ারম্যান গত বুধবার ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে উভয়পকে শালিসে ডাকলেও সাগর না আসায় গত শুক্রবার চেয়ারম্যানের নিজ বাড়ি চকবোয়ালি ধোবাকল গ্রামে শালিস বৈঠকের ডাক দেয়। গৃহবধু নির্দিষ্ট দিনে বৈঠকে উপস্থিত হলেও রহস্যজনক কারনে চেয়ারম্যান পূনরায় শনিবার বৈঠকের দিন ধার্য করেন। গৃহবধু সায়মা খাতুন জানান, চেয়ারম্যান বিবাদী পরে লোকজনের কাছ থেকে প্রায় আধা ঘন্টা ঘটনার আদ্যপান্ত শুনেন। পরে সায়মা ঘটনার বর্ণনা করতে গেলে চেয়ারম্যান মাত্র ২ মিনিট সময় বেধে দেয়। এবং সাী উপস্থাপন করতে চাইলেও চেয়ারম্যান বলেন তুমি ৫০ জন সাী আনলেও তোমার কথা আমি বিশ্বাস করি না। তোমার মতো নষ্টা ও পতিতা মেয়ের বিচার আমি করব না। প্রতিবাদ করলে এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান আমাকে লাথি মেরে বারান্দা থেকে নিচে ফেলে দেয়। চর-থাপ্পর মেরে চুলের মুঠি ধরে টেনে হেঁচড়ে শালিস থেকে বের করে দেয়। চেয়ারম্যানের নির্দেশে বিবাদী পরে সাগর, সুলতান, মনছার, বক্কর সহ বেশ কয়েকজন আমার ছেলে সায়মুন (২৪), ভাই ফজলু (৬৭) ও রওশন আলী (৪৩) কে মারধর করে। ইতোপূবেও তিনি মহুবার নামের এক ব্যাক্তিকে সালিশ বৈঠকে মারধর করেছিলেন। গত রবিবার নির্যাতীত গৃহবধু পার্বতীপুর মডেল থানা মামলা দায়ের করেছেন।