• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

চট্টগ্রামে জেল সুপারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

Mamla-2চট্টগ্রাম: জেলহাজতে জাকির হোসেন (৩০) নামে এক কয়েদির মৃত্যুর ঘটনায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেল সুপার, জেলারসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।

রোববার জাকিরের ছোট ভাই ইয়াকুব কায়সার বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) মশিউর রহমানের আদালতে মামলাটি দায়ের করেছেন। আদালত এ বিষয়ে অনুসন্ধান করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন জনান, জেলহাজতে পরষ্পরের যোগসাজশে নির্যাতনের মাধ্যমে জাকিরকে হত্যার অভিযোগে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১, ২০৩, ২০৪/৩৪ ধারায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত মামলার এজাহারে আনা অভিযোগ অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- সিনিয়র জেল সুপার মো. ছগীর মিয়া, জেলার নেছার আহমেদ মুকুল, কারা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, সুবেদার আনজু মিয়া ও হুমায়ন কবির, প্রধান কারারক্ষী মোহাম্মদ হোসেন ও আব্দুর রশিদ, কারারক্ষী মো.আলমগীর ও জিয়াবুল ইসলাম। একই মামলায় ঘটনার সময় দায়িত্বরত ডেপুটি জেলারসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জুন রাত ৯ টার দিকে চট্টগ্রাম কারা হাসপাতালের তৃতীয় তলায় সিঁড়ির রেলিংয়ে জাকির হোসেন (৩০) নামে এক কয়েদির মৃত্যু হয়। কারা কর্তৃপক্ষের দাবি, জাকির গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। জাকির হোসেন কর্ণফুলী থানার একটি অপহরণ মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত। তার কয়েদি নম্বর ৮৩৮৫/এ।

তবে এরপর থেকেই তার পরিবার অভিযোগ জাকির আত্মহত্যা করেনি। তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। তার পরিবারসহ এলাকাবাসী গত ৬ জুন রাতে আনোয়ারার সাংসদ ও ভূমি প্রতিমন্ত্রী বাসার সামনে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে।

সামগ্রিক পরিস্থিতিতে দু’জন কারারক্ষীকে সাময়িক বরখাস্ত করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষ। এছাড়া দু’জন প্রধান কারারক্ষীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দু’জন সুবেদারকে স্ট্যান্ড রিলিজও করা হয়েছে।

এছাড়া ঘটনা তদন্তে ডিআইজি প্রিজন এবং জেল সুপার পৃথক দু’টি কমিটি গঠন করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ