• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আমেরিকায় ইসলাম : ৫০ লাখ মুসলমানের জিন্দেগি

80669_1রশীদ জামিল: আমি যদি বলি, কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের তিন শতক আগেই মুসলমানরা প্রথম আমেরিকা আবিষ্কার করেছিল- পাঠক নিশ্চই চোখ বড় বড় করে তাকাবেন! আচ্ছা আগে কলম্বাস পর্ব শেষ হোক, তারপর এ প্রসঙ্গ। বলা হয়, কলম্বাসের দু’টি ভুলের কারণেই হয়েছিল আমেরিকা আবিষ্কার। কেমন ভুল- সেটা জানার জন্য একটু পেছনে তাকানো লাগবে।
অযোগ্য আর অথর্ব মুসলিম নেতৃত্বের সুযোগ নিয়ে গ্রানাডা বিজয়ের আনন্দে স্প্যানিশ ক্যাথলিকরা তখন যাকে বলে আনন্দে অতি-শয্যা নেবার উপক্রম। ১৪৯২ সাল তখন। রানী ইসাবেলা এবং রাজা ফার্ডিনান্ডের নেতৃত্বে ক্যাথলিকরা পরাজিত করেছে মুসলমানকে। বিজয়ী বাহিনীর চৌকস নাবিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস (১৪৫১-১৫০১) তখন দেখা করলেন গিয়ে রানীর সাথে। টোপ দিলেন তাকে। বললেন, দিক পাল্টে পশ্চিম দিক দিয়ে ভারত পৌঁছতে পারলে আরো অঢেল সম্পদ আহরণ করা সম্ভব। মালামাল হয়ে যাব আমরা। রানীর চোখ চকচক করে উঠলো অদেখা মানিক্যে। রাজি হয়ে গেলেন তিনি। অনেক খরুচে ব্যাপার কিন্তু তারচে’ও লোভনীয় সুযোগের হাতছানি ইসাবেলাকে বাধ্য করলো রাজি হতে। শুরু হল ৮৭জন সঙ্গী নিয়ে কলম্বাসের যাত্রা। যাত্রা পথে দু’টি ভুল করলেন তিনি।
১. তিনি ভেবেছিলেন স্পেন হতে পশ্চিম পথে ভারতের দূরত্ব হবে পূর্বপথ থেকে কম হবে।
২. তিনি ভাবতেও পারেননি আটলান্টিকের পরে আরেকটি সাগর রয়েছে আর তাকে সেই স্প্যাসিফিকও পাড়ি দিতে হবে। যে কারণে দশ হাজার মাইল দূরত্বকে তিনি ভেবে বসেছিলেন তিন হাজার মাইল!
কলম্বাস বাহিনীকে বিরস বিমোহনে স্বাগত জানালো আটলান্টিকের জলরাশি। কিছুদিনের মধ্যেই চোখে শর্ষেফুল দেখতে লাগল দলটি।
১২ অক্টোবর ১৪৯২। অবশেষে অবসান ঘটল প্রতীক্ষার। দ্বীপের দেখা মিলল। নামলেন তারা। কলম্বাস ভাবলেন তারা ভারতের কোথাও অবতরণ করেছেন! কিন্তু দ্বীপবাসীর গায়ের রঙ একটু লালচে দেখানোয় এদের নাম দিলেন তিনি রেড ইন্ডিয়ান। তারাই হল আমেরিকার আদি অধিবাসী। ফিরে গিয়ে ভিন্ন-পথে ভারত পৌছার রাস্তা আবিষ্কারের খুশির খবর দিলেন রানীকে। আবিষ্কারক জানতেই পারলেন না তিনি কোন বস্তু আবিষ্কার করে ফেলেছেন। রানী খুশি হলেন। অনেক খুশি হয়ে উপহার-টুপহার দিয়ে খুশি করে দিলেন কলম্বাসকে। পরে জানা গেলো…।
যা হোক, ভুলে হোক আর শুদ্ধয়, আবিষ্কার হল আরেকটি মহাদেশ, আজকের আমেরিকা। কৃতিত্ব গেল কলম্বাসের ঝুড়িতে। তিনি সর্বপ্রথম তার স্বীকৃতি পেলেন প্রেসিডেন্ট ফ্যাংকলিন রুজভেল্ট হতে। এরপর হতে আজ অবধি ১২ অক্টোবর এদেশে কলম্বাস ডে পালিত হয়ে আসছে।
দুই
সুং দলিল সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যকে সামনে রাখলে ১১৪৭ সালে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে একদল মুসলমান নাবিক সর্বপ্রথম গঁ-খধহ-চর (বর্তমান ক্যালিফোর্নিয়া) নামক আমেরিকার এই অঞ্চলটিতে পৌছায়। কলম্বাস ভুল করে আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন ১৪৯২ সালে, সে মোতাবেক কলম্বাসের তিন শতক আগে মুসলমানেরাই প্রথম আমেরিকা আবিষ্কার করে।
বৃটিশ নৌ ইতিহাসবিদ গ্যাভিন মানজিস (এধারহ গধহুরবং) লেখা ‘১৪৯২’ সূত্রেও জানা যায়, ঝেং হি (তযবহম ঐব) নামে একজন চাইনিজ মুসলমান কলম্বাসেরও ৭১ বছর পূর্বে আমেরিকায় গমন করেন। ঝেং হি তার নৌ অভিযান পরিচালনা করার জন্য কিছু দক্ষ মুসলমান নাবিক সংগ্রহ করেন। ঝেং তার দলবল নিয়ে নৌ অভিযান শুরু করেন এবং আমেরিকায় পৌঁছতে সক্ষম হন। এমন আরো কিছু বর্ণনা পাওয়া যায়। যেগুলো প্রমাণ করে সর্বপ্রথম আমেরিকা আবিষ্কার করে মুসলমানরাই।
আবার কারো কারো মতে কলম্বাস নয়, তার আগেই এরিক লিফ নামের অন্য একজন আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন। অন্যদিকে সম্প্রতি তুর্কি গণমাধ্যম প্রকাশিত তথ্যে জানানো হয় কলম্বাসের পাঁচশো বছর আগেই উজবেক মনীষী আবু রায়হান আমেরিকা আবিষ্কার করেছিলেন।
সত্যটা আসলে কী! এই প্রশ্ন আজও অমীমাংসিত। আজকাল খোদ আমেরিকার অনেক স্কুলেই এখন আর ১২ অক্টোবর কলম্বাস দিবস বা আমেরিকা দিবস পালন করা হয় না। উপরন্তু কলম্বাস তাদের কাছে একজন মিথ্যাবাদী প্রতারক হিসেবেই পরিচিত। টাইম মেশিনে চড়ে চতুর্দশ শতকে চলে যাওয়ার সুযোগ থাকলে রিয়েলিটি জানা যেতো। কী আর করা! ব্যাপারটি হয়তো ইতিহাসের একটি অমীমাংসিত চ্যাপ্টার হিসেবেই থেকে যাবে।
তিন
এবার দেখি আমেরিকায় ধর্মীয় স্বাধীনতা বা ইসলামের অবস্থা কেমন? বিস্তারিত পরে কোনো এক সময় আলোচনার ইচ্ছা থাকল। এখানে যেকোনো ধর্ম পালন করবার অধিকার আছে। আছে কোনো ধর্ম পালন না করবার অধিকারও। এখানে যে যার মতো করে চলছে, বলছে, করছে। তবে কেউ কাউকে ডিস্টার্ব করতে পারছে না, সেই অধিকার নেই। রাস্তায় একই সাথে সাদা-কালো-বাদামী-সব রঙের মানুষ চলছে সমান তালে। এখানকার নাগরিক যারা অথবা বৈধ বসবাসকারী, কোনো অন্যায় কেউ করলে বিচারের ক্ষেত্রে সমান। সাদা নাকি কালো, মুসলমান নাকি খৃস্টান, বিচারকের সেটা বিবেচনায় নেয়ার সুযোগ নেই। আর ঠিক এ কারণেই এতো বিশাল রাষ্ট্র হবার পরও শাসনতান্ত্রিক অবকাঠামো এদের অত্যন্ত মজবুত।
মুসলিম বিশ্বের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক বা ব্যবহার কেমন, সেটা ভিন্ন প্রসঙ্গ। সে নিয়ে কথা বললে অনেক কথার অবতারণা হতে পারে। কিন্তু এখানে, এই আমেরিকায় ইসলাম অনেক ভাল আছে। তথ্যেও, বাস্তবেও। আমি তো বলবো বর্তমান বাংলাদেশেই ইসলাম ততোটা ভাল নেই যতোটা এখানে আছে। আমি জানি অনেকেই মানতে চাইবেন না, বিশ্বাস করতে রাজি হবেন না। কিন্তু আমি তো তাই বলবো। মুসলমাদের পাঞ্জাবি গায়ে টুপি মাথায় দিয়েই তো চলতে দেখি বুক ফুলিয়ে। উলামায়ে কেরাম পাগড়ি পরেই রাস্তাঘাটে চলাফেরা করছেন। কোনো আইন তো তাদের বাধা দিতে দেখছি না। কেউ তো তাদের নিয়ে মশকারাও করছে না।
চার
যদিও ২০০১ সালে টুইন টাওয়ার ধ্ববংসের পর এখানকার ইসলামি প্রতিষ্ঠানাদি এবং মুসলমানদের উপর আইন করে বিশেষ নজরদারি শুরু করা হয়েছিল। স্বাভাবিক ছিল ব্যাপারটা। নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নেয়ায় অবাক হবার কিছু ছিল না। গেল মাসে সেই আইনটিও উঠিয়ে নেয়া হয়েছে। এখন আর আমেরিকান সরকার মনে করছে না মুসলমানদেরকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা দরকার। নিশ্চয় তারা তাদের মত করে খোঁজ-খবর লাগিয়ে সন্তুষ্ট হয়েছে যে, এখানকার মুসলমানরা মানবতার জন্য কোনো হুমকি নয়। আমেরিকার জন্য কোনো চিন্তার বিষয় নয়। আইনটি উঠিয়ে নেয়ার পর এখানকার ইসলামি নেতৃবৃন্দ ধন্যবাদ জানিয়েছেন সরকারকে।
বাংলাদেশে যেখানে বিভিন্ন মসজিদ-মাদরাসা, ইসলামি প্রতিষ্ঠানাদি এবং আলেম-উলামাকে ২৪ ঘণ্টা সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে, সেই বিবেচনায় বাংলাদেশে বাংলাদেশি মুসলমানের চে’ আমেরিকায় মুসলমানরা এখন অনেক স্বচ্ছন্দে আর নিরাপদেই আছে। আবেগে নয়, বাস্তবতার ভিত্তিতেই বললাম কথাটি। গত এক দশকে আমেরিকায় মুসলমানদের সংখ্যা বেড়েছে ১৬ লাখ। অ্যাসোসিয়েশন অব স্ট্যাটিস্টিশিয়ান্স অব আমেরিকান রিলিজিয়াস বডিস এর জরিপ মতে, ২০০০ সালে যেখানে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল ১০ লাখ, ২০১০ সালে দেশটিতে এ সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২৬ লাখে দাঁড়িয়েছে।
আবার ২০০০ সালে যেখানে আমেরিকার মসজিদের সংখ্যা ছিল ১২০০। বর্তমানে সেখানে মসজিদের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে। খোদ টুইন টাওয়ার, বর্তমানে যেটা ফ্রিডম টাওয়ার নামে নতুন করে নির্মিত হচ্ছে, তার পাশেই গড়ে ওঠেছে আল্লাহর ঘর, চমৎকার একটি মসজিদ। এমন কোনো দিন নেই যেদিন নিউ ইয়র্কের কোনো না কোনো মসজিদে কোনো না কোনো মাহফিল হচ্ছে না। আর দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতের কথা বলতে লাগলে তো আরেক উপাখ্যান রচিত হয়ে যাবে।
গেল সপ্তাহেই ফিলাডালফিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো তাবলিগের তিন দিনের ইজতেমা। ১২ থেকে ১৫ হাজার মুসলমানের আল্লাহু আকবারের ধ্বনিতে মুখরিত হল আমেরিকার আকাশ। হলভর্তি মানুষের সামনে বয়ান রাখলেন বিশ্ব তাবলিগ জামাতের মুরব্বিরা। ছয়জন খৃস্টান মুসলমান হলো। কোনো রকম বাধা-বিঘ্ন ছাড়াই প্রশাসনিক সহযোগিতায় সম্পন্ন হলো এই জমায়েত।
‘হল’ শুনে কেউ যেনো অবাক না হন। এখানে যত বড় প্রোগ্রামই হোক, সেটা হলের ভেতরেই হয়, করতে হয়। সে মতো হলও তৈরি করে রাখা আছে। তাবলিগের ইজতেমার হলটির তিনদিনের ভাড়াই ছিল ৩৩ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি টাকায় ২৬ লক্ষ টাকা প্রায়। এ থেকেই কি আন্দাজ করে নেয়া যায় হলটির আয়তন? মাওলানা ইলিয়াস রহ.’র নিবেদিত মেহনতের বীজটি ‘আসলুহা সাবিত’ আর ‘ফরউহা ফিস-সামা’ বৃক্ষে পরিণত হয়েছে আগেই। দিনে দিনে গাছটির ডালপালা ছড়াচ্ছে গাণিতিক হারে। এটাই ইসলামের শাশ্বত সৌন্দর্য। আর এখানেই খুঁজে নেয়া যেতে পারে আরেকটি অমীমাংসিত জিজ্ঞাসার জবাব।
পাঁচ
এই ফাঁকে জেনে রাখা ভালো, বাংলাদেশিরা কবে থেকে আমেরিকাবাসী হলো! লিখছি যেহেতু বাংলাদেশি পাঠকের জন্য, তাই এ ব্যাপারে কারো মনে জানার কৌতূহল জাগতেই পারে। নয় দশমিক আট-তিন মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকা। স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে সারা বিশ্বে যার দাপুটে বিচরণ। নয়শ তিন মিলিয়ন জনসংখ্যা অধ্যুষিত এই দেশটি এখন লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশি বাঙালির আবাসভূমি।
ওয়াশিংটন ডিসির লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের সূত্র অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতারও আগে বাঙালিরা মহাসিন্ধুর এপারে বসতি শুরু করে। ১৭৭৩ সালে ফরাসিদের সঙ্গে বৃটিশ ঔপনিবেশিকদের যুদ্ধ শেষে বাঙালিদের পদার্পণ ঘটতে থাকে আমেরিকার মাটিতে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু লোক উত্তর আমেরিকায় তুলা উৎপাদনের কাজ-এর মধ্য দিয়েই এই মাটিতে শুরু হয় বাঙালির বর্ণিল পদচারণা।
তারপর থেকে বাঙালিরা অবস্থান করছেন এখানে। অবদান রাখছেন প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির সচলায়নে। প্রাকৃতিক নিয়মে যাদের অনেকেই এখন চলে গেছেন পৃথিবী ছেড়ে। সেই সাথে হারিয়ে গেছে তাদের কাজগুলোও। ষাটের দশক থেকেই মূলত বিপুল পরিমাণ বাংলাদেশি এদেশে এসে বসতি গেড়েছেন। এদেশের সুখে যারা হাসেন, কাঁদেন দেশের দুঃখে। দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নে সময়-মেধা আর শ্রম ঢালছেন। রাষ্ট্রের বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করছেন নিষ্ঠার সাথে। সপ্রতিভ যোগ্যতায় আলো ছড়াচ্ছেন তারা। তুলনামূলক কম লেখাপড়া করে আসা বাঙালিরা কায়িক শ্রম ঢেলে একদিকে যেমন এখানকার অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, অন্যদিকে প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের রেমিটেন্স কোষাগারকেও করছেন সমৃদ্ধ। যে কারণে এখানকার সরকারি নজরে বাঙালি কমিউনিটি স্বাতন্ত্রিক ইমেজের অধিকার পেয়েছে। কিন্তু এই আলোকিত মানুষগুলোর কীর্তি সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, কার্যকর উদ্যোগ ও যতেœর অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে কালের গহ্বরে। এটা তো হওয়া উচিত না।
ছয়
আমি জানি না সাপ্তাহিক লিখনী আমাকে কী লিখতে বলেছিল আর আমি কী লিখছি! বুঝতে পারছি না কথাগুলো তাদের সাথে খাপ খাবে কি না! তবুও লিখছি। গত ৫ মাসে আমার দেখা আমেরিকা ভাবনার দিগন্তে কড়া নেড়েছে বিভিন্ন দিক হয়ে। কেউ যেনো উপরের কথাগুলোকে আমেরিকার পক্ষে সাফাই হিসেবে বিবেচনায় না নেন। সেটা অন্যায় হবে। আমি আমার দেখা-জানাটুকুন থেকে কিছু কথা এখানে শেয়ার করলাম। ইতিবাচক-নেতিবাচক মিলিয়েই পৃথিবীর পথচলা। কথা শেষ হয়নি। ইতি-নেতি, বলবার আছে অনেক কথা। সামনের সুযোগে কথা হবে। জানতে চেষ্টা করে জানাতে চাইবো পাঠককে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ