ঢাকা: ‘দি গ্রেটেস্ট ফেস্টিবল অন দ্যা আর্থ’ আয়োজনের দেশ ব্রাজিলে ৩৪৪ কিলিমিটার যানজটে নাকাল দেশবাসী ও সফর খেলাপাগল বিদেশিরা। শুধু যানজট নয় ডেঙ্গুর প্রকোপও বেড়েছে বেশকিছু দিন হলো এবং এছাড়া স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি এখনো সম্পূর্ণ করতে পারেনি দেশটি। এমন পরিস্থিতিতেই আজ রাতে পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফুটবল মহাযজ্ঞের।
ব্রাজিলের সাম্প্রতিক এই পরিস্থিতিতে যেমন খুশি নয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা, তেমনই খুশি নন পর্যটকরা। বিশ্বকাপের পর্দা উঠতে আর মাত্র বাকি কয়েক ঘন্টা। এই মুহূর্তে ফিফার দুজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ব্রাজিলকে ‘নরক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তারা বলেন, ব্রাজিলে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি এতোটাই জঘন্য হয়েছে যে এটিকে নরকের সঙ্গে তুলনা করা চলে।
জনারোষ, শ্রমিক নিহত, স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজ অমীমাংসিত, অনিয়ন্ত্রিত সড়ক যোগাযোগ ইত্যাদি সমস্যায় জর্জরিত ব্রাজিল বিশ্বকাপ ২০১৪। বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র একদিন আগে অর্থাৎ বুধবারে দেশটির রাস্তায় ছিলো ২১৪ মাইল অর্থাৎ ৩৪৪ কিলোমিটারের দীর্ঘ যানজট।
ব্র্রাজিল বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি খেলা অনুষ্ঠিত হবে সাও পাউলোতে। যানযট ছাড়াও এই শহরটিতে রয়েছে আরো বিভিন্ন সমস্যা। ২০১৩ সালের নভেম্বর এই শহরে রেকর্ড পরিমাণ অর্থাৎ ১৯২ মাইল জুড়ে যানযটে আটকে ছিলো মানুষ। এদিকে রেল কর্মীরা আজ থেকে আবারো ধর্মঘট শুরু করেছে। রেল ধর্মঘটের কারণে বাধ্য হয়েই গাড়ি নিয়ে ছুটতে হচ্ছে সবাইকে। এতেই যানজটে নাভিশ্বাস উঠেছে মানুষের।
শুধু যানজটই নয় ব্রাজিলে বিশ্বকাপ উপলক্ষে ১২টি স্টেডিয়াম প্রস্তুত থাকার কথা ছিলো। অথচ বর্তমানে একটি স্টেডিয়ামের ছাদই এখনো নির্মিত হয়নি। পাঁচটি স্টেডিয়ামের নির্মাণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অপরদিকে মাত্র ছয়টি স্টেডিয়ামে ফুটবলের এই মহাযজ্ঞকে শেষ করতে হচ্ছে।
আমাজন নদীর অববাহিকায় ব্রাজিলের আরেক গুরুত্বপূর্ণ শহর মাসাউস। এই শহরেই বিশ্বকাপ ২০১৪ উপলক্ষে প্রথমবার বলে কিক করবে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়রা। কিন্তু এই শহরটিতে এখন জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে। কারণ এই শহরে চলছে বন্যা। আর ডেঙ্গুর উপদ্রবে নাকাল শহরবাসী।
এসবিসি স্পোটর্স নিউজের অনলাইন সংস্করণে বলা হয়, ‘ব্রাজিল নির্মাণাধীন বিমানবন্দর দিয়ে খেলোয়াড় এবং পর্যটকদের অর্ভ্যথনা জানিয়েছে।