• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

জামায়াতের বিচার : অশনিসংকেত

Munnaরাগিব আহসান মুন্না: যুদ্ধাপরাধের দায়ে জামায়াতের বিচার নিয়ে আবারও রাজনৈতিক বিতর্ক উস্কে দেয়া হয়েছে। আইনমন্ত্রীর পরে খোদ প্রধানমন্ত্রীই বিরক্তি প্রকাশ করে ফেলেছেন। জাপান সফর শেষে ঘটা করে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, ‘জামায়াতের বিচার নিয়ে এত হৈ চৈ কেন?’

যুদ্ধাপরাধের বিচার আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ওয়াদা। দশম সংসদ নির্বাচনের পর ক্ষমতা অধিষ্ঠিত হয়ে আওয়ামী লীগ বিচার প্রক্রিয়া কতটা আন্তরিক এবং সুচারুরূপে সম্পন্ন করতে পেরেছে তা প্রশ্নাতীত নয়। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে কালক্ষেপণ, ট্রাইব্যুনালের জন্য স্থান নির্ধারণ, প্রসিকিউশনে নিম্নমানের আইনজীবীদের নিয়োগ, সর্বোপরি তদন্ত-অনুসন্ধানে প্রশিক্ষিত দক্ষ লোকবলের অভাব এবং অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধার অভাব নিশ্চয় সরকারের আন্তরিকতার পরিচায়ক নয়। বিচারিক বিষয় নিয়ে সরকারের মন্ত্রীদের একের পর এক লাগামহীন মন্তব্য একদিকে জনমনে সন্দেহ তৈরি করেছে, তেমনি বিচার নিয়ে দেশি বিদেশি লবিস্টদের হাতে একে ‘বিতর্কিত’ করার অস্ত্র তুলে দিয়েছে। এ নিয়ে আবার কেউ সমালোচনা করলে তাকেই উল্টো ‘যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় না’ বলে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ ট্রাইব্যুনালে কাদের মোল্লার রায়ের পর দেখা গেল, সরকারের আইন কর্তারা খোদ যুদ্ধাপরাধের বিচারের আগে আন্তর্জাতিক ক্রাইমস (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩ শিরোনামের আইনটিকে প্রয়োজনীয় রিভিউ-ই করেননি। ওই আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় আসামিপক্ষকে আপিলের অধিকার দেয়া হলেও খোদ রাষ্ট্রপক্ষকেই আপিলের সুযোগ দেয়া হয়নি। যুদ্ধাপরাধের বিচারের দায় রাষ্ট্রের। কোনো ব্যক্তি আইনগতভাবেই এই মামলার বাদী হতে পারেন না। কাজেই রাষ্ট্র এক্ষেত্রে সেইসব মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছে, যারা কিনা ৪২ বছর ধরে ইনসাফের জন্য গুমরে মরছেন। সরকারের তৎকালীন আইনমন্ত্রী শফিক আহমদ একজন বার এট ল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ; আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম নিজেও একজন আইনজীবী, তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে এই ঘটনা ঘটল কেমন করে? এই প্রশ্নে কোনো উত্তর তখন প্রধানমন্ত্রী নিজেই দিতে পারেননি।

যখন প্রশ্ন উঠল আইন পরিবর্তনের, সরকারের অজুহাত- আইন বদলালে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনা হবে। আবার চলল কালক্ষেপণ। অবশেষে গড়িমসি করে গণদাবির মুখে নানা রাজনৈতিক সমীকরণের পর সরকার আইন পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপক্ষকে আপিলের সমানাধিকার দিল।

এবার আবার বিতর্ক। মজার বিষয় বিতর্কটা উঠেছে খোদ সরকারের পক্ষ থেকেই। প্রসিকিউশনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল, বিভিন্ন পক্ষের পারস্পারিক অভিযোগকে কেন্দ্র করে। একপক্ষ আরেক পক্ষকে অভিযুক্ত করছে: অমুক জামায়াতের বিচার চায়, তমুক চায় না। এমন পরিপ্রেক্ষিতেই আইনমন্ত্রী এ্যাডভোকেট আনিসুল হক জামায়াতের বিচার নিয়ে নতুন কথা শোনালেন। বিচার নিয়ে তার যুক্তি হল :

প্রথমত, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনালস) আইন ১৯৭৩ অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দলকে বিচার করা এবং তাকে শাস্তি দেওয়ার বিধান নাই।

দ্বিতীয়ত, জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল নিয়ে উচ্চ আদালতে এরই মধ্যে একটা মামলা চলমান আছে। ফলে ট্রাইব্যুনালের বিচার ওই বিচারের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে।

তৃতীয়ত, এরই মধ্যে জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বিচারের আওতায় নেয়া হয়েছে। সংগঠন হিসেবে বিচার করতে গিয়ে সেই ক্ষেত্রে শীর্ষ নেতাদের দ্বিতীয়বারের মত আবার একটা শাস্তি দিলে, তা পূর্ববর্তী শাস্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

এরই মধ্যে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে দেশের শীর্ষ স্থানীয় আইনজীবীরাই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। অন্তত তিনটি অবস্থান থেকে তার যুক্তি খণ্ডনযোগ্য।

প্রথমত, আন্তর্জাতিক অপরাধ টাইব্যুনাল আইনে সংগঠনের বিচার ও শাস্তির বিধান আছে। আইনের ৩ (১) ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:

“A Tribunal shall have the power to try and punish any individual or group of individuals, or organization, or any member of any armed, defense or auxiliary forces, irrespective of his nationality, who commits or has committed, in the territory of Bangladesh…”

এখানে স্পষ্টভাবে সংগঠন শব্দটা আছে। আবার আইনের ২০ (২) ধারায় শাস্তির বিষয়ে বলা হয়েছে:

“Upon conviction of an accused person, the Tribunal shall award sentence of death or such other punishment proportionate to the gravity of the crime as appears to the Tribunal to be just and proper.”

এখানে সংগঠন বলতে ব্যক্তি। জেনারেল ক্লজ অনুসারে ব্যক্তি বলতে সংগঠনকেও বোঝানো হয়। ফলে ১৯৭৩ এর আইনে শাস্তির স্পষ্ট বিধান লক্ষিত হচ্ছে। আইনমন্ত্রী জনগণকে সঠিক তথ্য দেননি। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্তা হিসেবে এত বড় দালিলিক প্রমাণকে তিনি কী করে অস্বীকার করতে পারেন? আর কেনই বা করেন?

দ্বিতীয়ত, উচ্চ আদালতে জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে। আর ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলা হলে তা হবে ১৯৭১ সালে যুদ্ধাপরাধ তথা মানবতা বিরোধী অপরাধের অভিযোগে। দুই মামলার বিষয় এবং পরিপ্রেক্ষিত আলাদা। এছাড়া দুই আদালাতের কার্যপ্রণালী বিধিও পরস্পর সাংঘর্ষিক নয়। ফলে ট্রাইব্যুনালে জামায়াতের বিরুদ্ধে মামলার কোনো প্রভাব উচ্চ আদলতে চলমান মামলায় পড়বে না এমনটাই মত দিয়েছেন অন্যান্য আইনজ্ঞরা।

তৃতীয়ত, সংগঠন হিসেবে যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিচারের প্রশ্নটি জামায়াতের ক্ষেত্রেই প্রথম নয়। এর আগে নুরেমবার্গ ট্রায়ালে নাৎসিদের এই অভিযোগে বিচার হয়েছে। তারা কি প্রক্রিয়ায় করেছে? নাৎসিরা নিষিদ্ধ হয়েছে, আবার তাদের শীর্ষ নেতাদেরও বিচার হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সংগঠন হিসেবে জামায়াতের বিচার এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এর শীর্ষ নেতাদের বিচার দুটি আলাদা বিষয়। কোনো কারণে একটি মামলায় একজনের ফাঁসি হলে আর আরেক মামলায় যাবজ্জীবন হলে ফাঁসির রায়ই কার্যকর হবে। এতো আইনের সহজ কথা।

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যেরই প্রতিধ্বনি প্রধানমন্ত্রীর মুখে। সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে যখন যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে এমন বক্তব্য আসে তখন প্রশ্ন ওঠাটা স্বাভাবিক। তবে কোনটাকে হৈ চৈ বলছেন প্রধানমন্ত্রী?

যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে সরকারের এই অবস্থান স্বভাবতই নানা সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নের্তৃত্বে আমরা যারা দীর্ঘ লড়াই করেছি তারা নিজেরাই শঙ্কিত হয়েছি বারবার। ফলে প্রশ্ন তুলেছি, যৌক্তিক সমালোচনা করেছি, রাস্তায় নেমেছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে এটা স্পষ্ট যে, আমাদের স্লোগান সরকারের দৃষ্টিতে হৈ চৈ।

এই দৃষ্টিভঙ্গি একদিকে যেমন যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবিতে সোচ্চার রাজনৈতিক কর্মীদের জন্য সাবধান বার্তা তেমনি জামায়াত-শিবির চক্রের জন্য সবুজ সংকেত।

মাঝে মাঝেই পত্রিকান্তরে দেখতে পাই, জামায়াত শিবির কর্মীরা আওয়ামী লীগে যোগদান করছে। বিনা বাক্য ব্যয়ে, অজানা রাজনৈতিক কারণে তাদের দলে নেয়াও হচ্ছে। আদর্শ রাজনৈতিক দলের প্রতিরক্ষা, যার মাধ্যমে রাজনৈতিক দল তার স্বাতন্ত্র্য টিকিয়ে রাখে। আওয়ামী লীগের সেই স্বাতন্ত্র্য ভেঙ্গে পড়ছে। রাজনৈতিক দল হিসেবে একদিকে ক্রমবর্ধমান দুর্বৃত্তায়ন, অন্যদিকে সামরিকতা ও জামায়াত প্রশ্নে আপোসরফা তাকে এই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।

জামায়াত শুধু যুদ্ধাপরাধী সংগঠনই নয়। একই সঙ্গে স্বাধীন বাংলাদেশে তার প্রতিষ্ঠা স্বৈরাচার সামরিক শক্তির হাত ধরে। জেনারেল জিয়া জামায়াত-শিবিরসহ সাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে সাংবিধানিক বৈধতা দিয়েছিলেন। আর স্বৈরাচার জেনারেল এরশাদ অধিপত্যশীল সামরিক নীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত করেন জামায়াত-শিবিরকে। এর প্রথম টার্গেট ছিল প্রগতিশীল রাজনৈতিক আন্দোলনের দুর্গ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। আশির দশকের গোড়ার দিকেই প্রত্যক্ষ সামরিক মদদে শুরু হয় ‘সেটেলমেন্ট’। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় খাস জমিতে পুনর্বাসনের নামে প্রতিষ্ঠিত করা হয় স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতকে। পাড়া মহল্লায় শরীর চর্চা কেন্দ্রের নামে মার্শাল আর্ট-কারাতের ট্রেনিং এর পাশাপাশি দেয়া হয় অস্ত্র চালানোর ট্রেনিং। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরকে প্রতিষ্ঠিত করতে পাল্টে ফেলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি। নম্বরের মার প্যাচে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে পোক্ত করা হয় শিবিরিকরণ। বিশ্ববিদ্যালয়ে গোপন সংগঠন হিসেবে অনুপ্রবেশ করে শিবির ক্যাডাররা ঘটাতে থাকে একের পর এক সহিংসতা। কোরান পোড়ানোর মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে অস্থিতিশীল করে তোলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়েকে। প্রগতিশীল নেতৃবৃন্দকে মুরতাদ ঘোষণা করে দেখামাত্র হত্যার হুমকি দেয় তারা। রতন-রিমু-রুপম-তপন-পিটু-শাহদত-আসলাম-টিটুকে একের পর এক হত্যা করা হয়। এসব হত্যাকাণ্ড ছিল পরিকল্পিত এবং সংগঠনটির প্রাতিষ্ঠানিক চিন্তা প্রসূত।

জামায়াত শিবিরের কার্যক্রমে সামরিকতার ছাপ ছিল স্পষ্ট, এখনো তা বহাল আছে। আর তাই জামায়াত-শিবির আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে কোন গোপন এজেন্ডা বাস্তাবায়নে তৎপর, প্রধানমন্ত্রী তা খতিয়ে না দেখে জামায়াতের বিচারে ধীরে চল নীতি গ্রহণ করছেন। প্রধানমন্ত্রী যখন সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের বিচারের দাবিকে হৈ চৈ বলে অভিহিত করলেন আমার বারবার মনে পড়ছিলো সহযোদ্ধা শহীদ জামিল আখতার রতনের মুখটিকে। ১৯৮৮ সালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কুপিয়ে হত্যা করা হয় জামিল আখতার রতনকে। রতন ছিলেন প্রগতিশীল আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক। রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের নামে সামরিক স্বৈরতন্ত্র যে নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল, তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন জামিল। মেডিকেল কলেজে জামায়াতের বহিরাগত সন্ত্রাসীদের বহিস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের এক পর্যায়ে শতশত শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সামনে জামায়াত শিবির ক্যাডাররা এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে তাকে।

শহীদ জামিলের কবর জিয়ারত করে তখন শেখ হাসিনা শপথ নিয়ে বলেছিলেন জামিল হত্যার বিচার হবেই। জামিল হত্যার ন্যায়বিচার আমরা পায়নি।

আদালত কয়েকজন জামায়াত শিবির কর্মীকে শাস্তি দিলেও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে শিবিরকে বিচারের মুখোমুখি করা যায়নি। তিন তিনবার যিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন, দুই দু’বার যিনি দুই তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠন করেছেন তার জন্য এটা কি খুব কষ্টসাধ্য ছিল?

একাত্তরে জামায়াত যেমন পাকিস্তনী সেনাবাহিনীর সঙ্গে মিলে মানবতাবিরোধী অপরাধসহ যুদ্ধাপরাধ করেছে, তেমনি স্বাধীনতার পর সামরিক স্বৈরতন্ত্রের মদদপুষ্ট হয়ে তাদের বংশবদ ইসলামি ছাত্রশিবির চালিয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস। তাই প্রশ্নটা শুধু জামায়াতের বিচারের নয়, একই সঙ্গে শিবিরের বিচারেরও। একটি যুদ্ধাপরাধের দায়ে, আরেকটি প্রাতিষ্ঠানিক সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের দায়ে। অন্যথায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে না।

লেখক: সাবেক ভিপি, রাকসু

উৎসঃ   পরিবর্তন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ