সিসিনিউজ: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের কৃষক আব্দুল জব্বার হত্যা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদন্ড ও ২ জনের যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছে আদালত। আজ দুপুরে নীলফামারীর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিচারক রেজা মোহাম্মদ আলমগীর হাসান এ সাজা দেন। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা সবাই পলাতক রয়েছে।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলেন, কিশোরগঞ্জ উপজেলা নিতাই ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত. ঘাউয়া মামুদের ছেলে রফিকুল ইসলাম ঢেরাই, একই গ্রামের আমিন উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ তুলাব, একই উপজেলার উত্তর কুঠিপাড়ার মজিবর রহমানের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক, সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুপুর গ্রামের জবান আলীর ছেলে আতাহার আলী, জলঢাকা উপজেলার দক্ষিণ কাজিরহাট পুর্বপাড়া গ্রামের মৃত. ওমর আলীর ছেলে মহসীন আলী, রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার খেচুনীকুন্ডা আলমবিদিতর গ্রামের মৃত. মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে মহুবার ডাকাত ও রংপুর সদর উপজেলার হাজীর হাট দোলাপাড়ার সহিদার রহমানের ছেলে মিন্টু মিয়া ওরফে শাহীন। এদিকে সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধুটপুর গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম ওরফে মামুন ও তার ভাই অফিসার রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ছয় মাসের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, জমিজমা নিয়ে বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ২০০৮ সালের ২৭ জুলাই রাতে আসামীরা কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আব্দুল জব্বারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পাশ্ববর্তী নয়নখাল নামক স্থানে ডেকে নিয়ে চোখ, হাত-পা বেঁধে হত্যা করে। এঘটনায় আব্দুল জব্বারের ছেলে আব্দুস সালাম ২৮ জুলাই কিশোরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৬।
মামলার অপর দুই আসামী কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মৃত. কমর উদ্দিনের ছেলে এবং সৈয়দপুর উপজেলার খাতামধৃপুর গ্রামের জবান আলীর ছেলে জুলফিকার আলী ভুট্টুর বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাদেরকে অত্র মামলা থেকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।