• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

সৈয়দপুরে চুরির দায়ে তেল পাম্পের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

Petrol Pampসিসিনিউজ: বিদ্যুৎ চুরির দায়ে রহিমা-জামাল ফিলিং স্টেশনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে সৈয়দপুর বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আকষ্মিক পরিদর্শনে গিয়ে পাম্পের এ অনিয়ম দেখতে পায়। এ অনিয়মের কারণে তিনি তাৎক্ষণিক ওই ফিলিং স্টেশনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন।
সূত্র মতে, নীলফামারী সদরের উত্তরা ইপিজেড সংলগ্ন রহিমা-জামাল ফিলিং স্টেশনটি সৈয়দপুর বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের অধীনে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছেন। উদ্বোধনের পর থেকে ওই ফিলিং স্টেশনটির বিদ্যুৎ ব্যবহারে পঞ্জিভুত ইউনিটসহ ঘন ঘন মিটার পরিবর্তন, চাহিদাকৃত লোডের পরিবর্তে অতিরিক্ত লোডে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আসছিল। শনিবার এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে সৈয়দপুর বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের ফিডারের দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম সরজমিনে ফিলিং স্টেশনে পরিদর্শন করেন। এ সময় অভিযোগের সত্যতা মিললে তিনি তাৎক্ষণিক বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করেন।
সূত্রটি আরও জানায়, দুই কিলোওয়াট চাহিদার ভিত্তিতে রহিমা-জামাল ফিলিং স্টেশনটিতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে চাহিদার অতিরিক্ত তিনগুণ বেশি কিলোওয়াটে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছিল। এছাড়া অফিসকে না জানিয়ে মিটারের ইউনিট চুরির উদ্দেশ্যে তিনবার বৈদ্যুতিক মিটার পাল্টিয়ে ফেলেন। ফলে পূর্বের মিটারে পঞ্জিভুত ইউনিট নতুন করে স্থাপন করা মিটারে প্রদর্শিত হয়না। এতে প্রায় ১৬ হাজার ইউনিটের ঘাটতি হয়েছে বলে অফিসের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা।
অভিযোগ রয়েছে, ফিলিং স্টেশনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার তিন ঘন্টা পর কোন প্রকার মামলা কিংবা জরিমানা ছাড়াই পূর্নরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। একটি সূত্র মতে, মোটা অঙ্কের বিনিময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ বহিরাগত ইলেকট্রিকশিয়ান নরেশ চন্দ্র ওরফে শলেয়া দ্বারা ওই পূণঃসংযোগ দেন। ওই সূত্রটি দাবি করেন, অফিসের নিয়ম উপেক্ষা করে মোটা অঙ্কের উৎকোচের লোভে সরকারী ছুটির দিনে কর্তৃপক্ষ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে।
ফিডার দায়িত্ব প্রাপ্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে বলেন, মোবাইলে এসব কথা বলা যাবে না, অফিসে আসেন।
এ ব্যাপারে আবাসিক প্রকৌশলী (নির্বাহী) মো. আলী জিন্নাহ বলেন, রহিমা-জামাল ফিলিং স্টেশনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে- বিদ্যুৎ চুরির জন্য নয়, অতিরিক্ত লোড ব্যবহারের কারণে। তবে অতিরিক্ত কি পরিমান লোড ব্যবহার করা হয়েছে এবং তার মূল্যই বা কত- এমন প্রশ্নে উত্তর তিনি এড়িয়ে যান। তবে অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ফিলিং স্টেশনের মালিকের দেয়া মুচলেকায় বিচ্ছিন্নকৃত সংযোগটি পূণঃসংযোগ দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ