• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

পিতার আকুতি : অপহৃত ছেলে আলমকে ফেরৎ চাই

Prees Conf. Picদিনাজপুর প্রতিনিধি: আমার ছেলে মোঃ আলমকে (১৭) অপহরণ করে গুম করে রেখেছে দিনাজপুর সদর উপজেলার পূর্ব শিবরামপুর গ্রামের দুলালের ছেলে আব্দুর রাশেদ (২৬), মোসলেমের ছেলে মোঃ ফরহাদ (৫৫) ও ফরহাদের স্ত্রী রেহেনা বেগম (৫০)। এমন অভিযোগ এনে মঙ্গলবার সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ লিখিত অভিযোগ পাঠ করে শোনান সদর উপজেলার পশ্চিম শিবরামপুরের হাফিজউদ্দিন।
হাফিজ উদ্দিন বলেন, আব্দুর রশিদ, মোঃ ফরহাদ এবং রেহেনা বেগমের জোগসাজশে আমার ছেলেকে অপহরণ করে গুম করে রেখেছে। আমার ছেলে আলম এখন কোনখানে আছে, সে এখন জীবিত না মৃত আমি কিছুই জানি না। তার সাথে আমার পরিবারের কারো কোন যোগাযোগ নেই। তিনি বলেন, আমার অজান্তে আমার ছেলে আলমকে উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গত ০৫-০৫-১৪ তারিখে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। ছেলের বন্ধুদের মারফৎ জানতে পারি যে, ঐদিন আনুমানিক বেলা ৩ টায় আলমকে বাসযোগে কুমিল্লা জেলা সদরের বাগমারা বাজার এলাকায় একটি ধানের মিলে নিয়ে দিয়ে আটকে রাখে। ফরহাদ আগে থেকেই কুমিল্লার উল্লিখিত মিলে ছিল। সেখানে মিল কর্তৃপক্ষ আটকে রেখে নির্যাতনের মাধ্যমে কাজ করাতে বাধ্য করে। তিনি লিখিত বক্তব্যে আরো বলেন, সেখানে এলাকার ৭/৮ জন ছেলে একইভাবে আটক ছিল। এক পর্যায়ে মারমুখি এলাকাবাসীর চাপের মুখে তাদের ফেরত এনে দিলেও এই বন্দিশিবির থেকে আমার ছেলে আলম ফেরত আসেনি। এখন পর্যন্ত তার কোন খোঁজ খবর পাইনি।
ছেলেকে ফেরৎ পাওয়ার জন্য ১১ তারিখে মোঃ আব্দর রাশেদ, মোঃ ফরহাদ হোসেন ও রেহেনা বেগমকে আসামী করে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগপত্র দায়ের করি। এ ব্যপারে থানা কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। উপরন্তু এসআই রেজাউর করিম আমার নিকট ৩ হাজার টাকা দাবি করেন এবং ৩ হাজার টাকা কুমিল্লা থানায় প্রেরণ করার জন্য পরামর্শ দেন। আমি একজন হতদরিদ্র কাঁঠাল পাতা বিক্রেতা ও ভ্যান চালক আমার পক্ষে এ টাকা যোগাড় করা সম্ভব নয় বিধায় আমার ছেলেকে ফেরৎ পেতে আপনাদের মাধ্যমে প্রশাসনকে অনুরোধ করছি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আলমের মা আলফাতুন বেগম ও খালা খালুসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ