• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা

Arthoনীলফামারী প্রতিনিধি: অনিয়ম দুর্নীতি এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নীলফামারী সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মছিরত আলী শাহ ফকিড়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেছেন পরিষদের ১১জন ওয়ার্ড সদস্য।
চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের মধ্যে সমঝোতা না হওয়ায় সম্প্রতি প্রকাশ্য ভোটাধিকারের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ফকিড়ের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করেন তারা।
সুত্র জানায়, চেয়ারম্যান মছিরত আলী শাহ ফকিড়ের বিরুদ্ধে ২০১১-১২ অর্থ বছরে ৩লাখ ৩৩হাজার ৫০১টাকা ও ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৫লাখ ১৬ হাজার ১৯০টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওয়ার্ড সদস্যরা অনাস্থা প্রস্তাব এনে রেজুলেশনের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক, উপ পরিচালক স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অনুলিপি দেয়।
ইউএনও অনাস্থা প্রস্তাবটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সদর মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল আজিজকে দায়িত্ব দেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করেন। মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ জানান, গত রবিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়ে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাঝে সমঝোতার জন্য তিন ঘন্টা সময় দেওয়া হয় কিন্তু সমঝোতা না হওয়ায় অনাস্থা ভোট নেওয়া হলে ১২জন সদস্যের মধ্যে ১১জন সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন চেয়ারম্যানের বিপক্ষে।
টুপামারী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সদস্য শামসুজ্জোহা অভিযোগ করে বলেন, ২০১১-১২ ও ২০১২-১৩ অর্থবছরে ইউনিয়নে আদায়কৃত করের সমুদয় টাকা আত্মসাত করেন চেয়ারম্যান সাহেব। দুই অর্থবছরে সদস্যদের সম্মানি ভাতার একটি টাকাও দেননি তিনি আমাদের। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান মছিরত আলী শাহ ফকির জানান, সদস্যরা কোন এক অদৃশ্য শক্তির ইঙ্গিতে অনাস্থা প্রস্তাবে তার বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। এতে আমার বলার কিছুই নেই।
যোগাযোগ করা হলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মোঃ সাবেত আলী জানান, অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়টি জেলা প্রশাসক মাধ্যমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হবে। মন্ত্রনালয় থেকে যা সিদ্ধান্ত আসবে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ