দিনাজপুর প্রতিনিধি: বিরল উপজেলার কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক কর্তৃক এক শিক্ষিকা যৌন হয়রানীর শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষকের নিকট অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন না করে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন প্রধান শিক্ষক। শিক্ষকের এহেন কর্মকান্ডের ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের সুষ্ঠু বিচার দাবী করেছেন সচেতন এলাকাবাসি।
ঘটনার শিকার ওই শিক্ষিকার স্বজনরা জানায়, উপজেলার কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের লাইব্রেরীয়ান পদে সম্প্রতি নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক শমসের আলী ওই বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্ম বিষয়ক মহিলা শিক্ষিকাকে বিভিন্ন সময় কু-পস্তাবসহ তাকে উত্ত্যক্ত করে আসতো। এ ঘটনায় ওই শিক্ষিকা সুষ্ঠু বিচার চেয়ে প্রধান শিক্ষকের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শমসের আলীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন না করে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
এদিকে ধর্ম বিষয়ক শিক্ষিকা বলেন, শিক্ষক শমসের আলী প্রায়ই তাঁকে উত্ত্যক্ত করতো। এ ব্যাপারে তিনি তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের নিকট অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনার বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোল্লা ইলিয়াস আলী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, প্রধান শিক্ষকের নিকট অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ওই শিক্ষিকা অভিযোগ করেছেন।
সোমবার দুপুরে কাজিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম মাহমুদুল কবির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি মিমাংসা হয়ে গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক শমসের আলীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন না করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার সচেতন মহলের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।