যশোর: যশোরে মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। উত্তেজিত গ্রামবাসী আবদুল লতিফ নামে ওই ইমামকে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। ভিকটিমকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঝিকরগাছা উপজেলার গাবুরাপুর গ্রামে শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।
ভিকটিমের মা জানান, এক সপ্তাহ আগে আসন্ন রমজানে তারাবির নামাজ পড়ানোর জন্য গ্রামের মসজিদে সিরাজগঞ্জ থেকে আবদুল লতিফ নামে এক ইমামকে আনা হয়েছে। গ্রামের রেওয়াজ অনুযায়ী ইমামকে একেক দিন একেক বাড়ি থেকে খাবার সরবরাহ করা হয়। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার তৃতীয় শ্রেণিপড়ুয়া শিশু মেয়ে খাবার নিয়ে মসজিদের পাশে ইমামের থাকার কক্ষে যায়। এ সময় ইমাম ঘরের দরজা বন্ধ করে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।
বাড়িতে ফিরে মেয়েটি বাবা-মাকে ঘটনাটি জানায়। একপর্যায়ে গ্রামবাসী বিষয়টি জেনে উত্তেজিত হয়ে ওঠে। তারা ইমামকে ধরে পিটুনি দেয়।
ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে শিওরদা ফাঁড়ি পুলিশ গাবুরা গ্রামে গিয়ে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ইমাম আবদুল লতিফকে উদ্ধার করে থানায় আনে। আর মেয়েটিকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। মেয়েটির বাবা ধর্ষণের অভিযোগে থানায় ইমাম আব্দুল লতিফের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আক্রান্ত মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা হবে শনিবার।