• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

ইরাকে সুন্নি বিদ্রোহীদের দলে বাংলাদেশি যোদ্ধা

11আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরাকের সুন্নি বিদ্রোহীদের দলে ভিড়েছেন বাংলাদেশি যোদ্ধাও। স্তম্ভিত হবার মত এই খবরটি দিয়েছেন ‘ইসলামিক স্টেটস অব ইরাক’র একজন যোদ্ধা। শুধু তাই নয়, দুর্ধর্ষ এই দলটির বেশিরভাগ যোদ্ধাই বিদেশি বলে উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
তাদের রণসজ্জা বাগদাদকে রক্ষার জন্য। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ইতিহাসখ্যাত টাইগ্রিস নদীর ব্রিজ। সেই সাথে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে বাগদাদে প্রবেশের উত্তর দিকের মহাসড়ক। ট্যাংক, সাজোয়া যান, রকেট চালিত গ্রেনেডসহ ভারি অস্ত্র সজ্জিত সেনারা সময় পার করছেন শত্রু হামলার আশঙ্কায়।
সাদ্দাম উত্তর ইরাকের কারা এই শত্রু, সহজে চেনার জন্য এদেরকে বলা হয় সুন্নি বিদ্রোহী। আর খেতাবি নাম ‘ইসলামী স্টেটস অব ইরাক (আইসিস)’। যে গ্রুপটি ইতিমধ্যে ইরাক ও সিরিয়ার বিপুল এলাকা দখল করে নিয়েছে। ইসলামী শরীয়া প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে ২০১৩ সালের এপ্রিলে। আল কায়েদার সদস্যদের নিয়ে যৌথভাবে এই গ্রুপটি সংগঠিত হয়। সংগঠনটির প্রধান হিসাবে দায়িত্ব নেন আবু বকর আল বাগদাদী। ২০১৩ সালে সামারায় জন্মগ্রহণ করা এই নেতা ইরাকে মার্কিন বিরোধী যুদ্ধে অংশ নেন।
নিজের কারিশমা এবং বাগ্মিতা কাজে লাগিয়ে তিনি এত জনপ্রিয় হয়ে যান যে আল কায়েদার একটি বড় অংশ তার সাথে যোগ দেন।
এবিষয়ে মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ ফাওয়ার গারজেস বলেন, এদের বেশির ভাগ যোদ্ধাই বিদেশি। বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানিসহ ইউরোপেরও অনেক দেশ থেকে অনেক যোদ্ধা যোগ দিয়েছে তাদের সাথে। যাদের অনেকের আবার সামরিক প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতা রয়েছে।
তবে একজন আইসিস্ট যোদ্ধা জানান, তাদের সঙ্গে বাংলাদেশি যোদ্ধাও রয়েছেন। হঠাৎ করে তারা অর্থের বিশাল যোগান কোথায় পান, তার জবাবে ফাওয়ার গারজেস বলেন, প্রাথমিকভাবে তারা পুঁজি পেয়েছিল সিরিয়িার বিরুদ্ধে ‘বাশার আল আসাদের’ বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য। সেই পুঁজি তারা পায় কুয়েত ও সৌদি আরবের কিছু ধনীদের কাছ থেকে। পরে সিরিয়া তেল ক্ষেত্র থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পায় এই গোষ্ঠি।
লন্ডন কিংস কলেজের অধ্যাপক পিটার নুমেন বলেন, ইরাকের তেল সমৃদ্ধ শহর দখলের পর দলটির অর্থের পরিমাণ ২ বিলিয়ন ডলারে পৌছেছে।
এনটিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ