কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় সোমবার রাত ৮টার দিকে ব্রাক অফিসে ঋণের কিস্তির টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে কোমরের বেল দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে ব্রাকের মাইক্রো ফাইন্যান্স কর্মসুচীর কর্মকর্তারা। আহত ব্যাক্তি ক্ষত স্থানের ব্যাথার যন্ত্রনায় কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের বেডে ছটফট করছে। এদিকে ব্যবসায়ীকে মারার প্রতিবাদে দোকান মালিক সমিতির নেতারা সমাবেশ করে সুষ্ট বিচার চেয়ে তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে ব্রাক কতূপক্ষকে। বিচার না পেলে অফিস ঘেরাও সহ বিভিন্ন কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে সমাবেশ থেকে হুশিয়ারী দিয়েছে নেতারা।
অভিযোগে জানা গেছে উপজেলা সদরের কেশবা গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে কনফেকশনারী ব্যবসায়ী মানিক মিয়া ব্রাকের মাইক্রো ফাইন্যান্স শাখা থেকে গত বছরের ৩অক্টোবর এক লাখ টাকা ঋণ গ্রহন করে।ঋণ নেয়ার পর থেকে নিয়মিত আটটি কিস্তির টাকা পরিশোধ করে।নবম কিস্তির টাকা পরিশোধ করার তারিখ ছিল ৩০ জুন।মানিক মিয়া জানান কিস্তির টাকা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল বিকেলে কিন্তু ব্যবসায়ীক ঝামেলার কারণে টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় ফিল্ট অফিসার রেজাউল ইসলাম টাকা না নিয়ে ফিরে যান।রাত ৮টার সময় ম্যানেজার মনির হোসেন আমার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে কিস্তির টাকা নিয়ে অফিসে যেতে বলেন।আমি টাকা নিয়ে অফিসে গেলে ফিল্ট অফিসার বেলাল ও রেজাউল ইসলাম কিস্তির টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করেন।এসময় তাদের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু হলে অফিসে আরো কিছু লোক জরো হয়।এর ফাকে ম্যানেজার মনির হোসেনের সামনে তারা কোমরের বেল্ট খুলে আমাকে বেধড়ক মারপিট করে।বেল্টের আঘাতে আমার মাথা কেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ শুরু হলে উপস্থিত দুই জন লোক আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করায়।দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ওরফে গ্রেনেট বাবু জানান আমাদের সমিতির সদস্যকে ব্রাক অফিসাররা অমানবিক ভাবে মারপিট করায় আমরা সমাবেশের মাধ্যমে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এর সুষ্ঠ বিচার চেয়েছি।বিচার না পেলে আমাদের সংগঠন থেকে আলোচনা করে পরবর্তি পদক্ষেপ নেয়া হবে।এ ব্যাপারে ব্রাকের মাইক্রো ফাইন্যান্স কর্মসুচীর ম্যানেজার মনির হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনাটি আকস্কিক ভাবে ঘটে গেছে।ব্যবসায়ীক সমিতির নেতাদের সাথে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করছি।