পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি: রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের পার্বতীপুরে ক্যারেজ, নিরাপত্তা বাহীনিসহ বেশ কয়েকটি বিভাগের কর্মচারীদের মধ্যে সময় মত ওভার টাইম না পাওয়ায়, ওভার টাইম বিল মূল বেতনের সাথে না পাওয়ায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। এসব বিলের কাগজ বিভিন্ন ডিভিশনাল অফিসে ফাইল বন্দি হয়ে আছে বলে জানা যায়। যে কোন মুহুর্তে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন হওয়ার আশংকা করছেন সচেতন মহল।
একাধিক রেলকর্মচরী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলে জানান, পার্বতীপুর ক্যারেজ ষ্টাফের বরাদ্দের সংখ্যা ১৯৩ জন। এর মধ্যে কর্মরত শুধুমাত্র কর্মচারী আছেন মাত্র ৫০ থেকে ৫২ জন। আর টিএক্সআর কর্মকর্তার সংখ্যা ১৬ জনের স্থলে আছেন মাত্র ৯ জন। প্রতি সপ্তাহে দিনাজপুর রেল স্টেশনের ওয়াসপিটে প্রতি ৮ ঘন্টা পর পর ৩টি ট্রেনের জন্য ১০ থেকে ১২ জন কর্মচারী কাজ করেন। দিনাজপুর ওয়াসপিটের ভেতরে জমে থাকা পানিতে ইনজেকশনের সিরিঞ্জ, কাঁচের বোতলের টুকরো, দুর্গন্ধময় পানি হওয়ায় কাজের পর পরেই রেল কর্মচারীরা অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন। সংশি¬ষ্ট কর্মকর্তাকে বার বার ওয়াসপিটের পানি নিঃস্কাশনের জন্য বলা হলেও অজ্ঞাত কারনে নীরব রয়েছেন। এদিকে, ক্যারেজ ষ্টাফদের ভ্রমণভাতা প্রায় ১১ মাস থেকে অজ্ঞাত কারনে ফাইলবন্দি হয়ে লালমনিরহাটে পড়ে আছে। তাছাড়া ইতিপূর্বে ওভার টাইম বিল প্রতি মাসের মূল বেতনের সাথে সংযুক্ত করা হতো। বতর্মানে তা বাতিল হয়ে আলাদাভাবে ওভার টাইমের বিল করার পরেও সঠিক সময়ে না পাওয়ায় অনেক রেল কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ঈদের আগেই ভ্রমণভাতা ও ওভার টাইমের বকেয়া বিল না পেলে ট্রেন চলাচলে বিঘœ হতে পারে বলে একচি সূত্র নিশ্চিত করেছ। এ ব্যাপারে শনিবার বেলা ৩টা ২৯ মিনিটের সময় লালমনিরহাট বিভাগের ডিএমই ধীরেন্দ্র নাথ এর কাছে এ বিষয়ে মুটোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, তাতে আপনার কি, আপনার কি লাভ, এটা ডিপার্টমেন্টাল ব্যাপার। এব্যাপারে শনিবার বেলা ৩টা ৪০ মিনিটের সময় সিএমই রাজশাহী এ বিষয়ে মুটোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়গুলো তিনি দেখবেন বলে জানান।