• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

১১ মাস আগে বন্যার পূর্বাভাস!

floodসিসি ডেস্ক: বন্যার মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় প্রতিরোধ করা এতকাল কার্যত অসম্ভব ছিল। কিন্তু মার্কিন বিজ্ঞানীরা এবার মাধ্যাকর্ষণ ও জমির ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে পূর্বাভাসের এমন এক মডেল তৈরি করছেন, যাতে ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো যাবে।
বাংলাদেশ বা ভারতের মতো দেশে ভয়াবহ বন্যা বিশাল এলাকার মারাত্মক ক্ষতি করে থাকে। অসংখ্য মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েন। দিন-কয়েক আগে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাষ পেলেও তেমন লাভ হয় না। কিন্তু দীর্ঘ প্রস্তুতির সময় পেলে অনেক ক্ষতি হয়ত এড়ানো সম্ভব। অ্যামেরিকায় স্যাটেলাইট-ভিত্তিক এক নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে সেটাই সম্ভব হচ্ছে।
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা প্রথমেই মিসিসিপি নদীর অববাহিকার একটি মানচিত্র তৈরি করেছেন। তার ভিত্তি ছিল একদিকে জমির ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্য, অন্যদিকে নাসার ‘গ্রেস’ নামের স্যাটেলাইট থেকে পাঠানো মাধ্যাকর্ষণ সংক্রান্ত তথ্য। তাতে দেখা গেছে, মাধ্যাকর্ষণ শক্তির মাত্রা সামান্য বেড়ে যাওয়ার অর্থ জমির জলীয় অংশ বেড়ে গেছে। অর্থাৎ বন্যা বা বরফ গলা পানির কারণে কোনো নদী কী রকম প্রতিক্রিয়া দেখাবে, মাধ্যাকর্ষণের মাত্রাভেদ তার আগাম সূচক হতে পারে।
জমি যত শুকনা হবে, তার পে বাড়তি পানি শুষে নেয়া তত সহজ হবে। কিন্তু তাতে যদি আগে থেকেই বেশি আর্দ্রতা থাকে, তখন বাড়তি পানি জমি ছেড়ে নদীতে চলে গিয়ে তার উচ্চতা বাড়িয়ে দেবে।
এই তত্ত্ব কতটা ঠিক, তা জানার জন্য বিজ্ঞানীরা ২০১১ সালের মে-জুন মাসে মিসৌরি নদীর মারাত্মক বন্যার মডেল খতিয়ে দেখেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী এমন বন্যা পাঁচশ’ বছরে একবার দেখা যায়। দেখা গেল, সঠিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে ৬ থেকে ১১ মাস আগে তার পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব হতো।
তবে সব সময়ে স্যাটেলাইট তথ্যের প্রয়োজন নেই। নদীর অববাহিকায় গিয়ে বরফ-গলা পানি ও মাটির আর্দ্রতা মাপলে তা থেকেও দুই মাস আগে পর্যন্ত বন্যার পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব।
নির্ভরযোগ্য পূর্বাভাসের জন্য অবশ্য নির্ভরযোগ্য ডেটা বা তথ্য থাকতে হবে। অর্থাৎ কোনো নদী অববাহিকার ‘হাইড্রোলজিকাল’ আচরণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য থাকা প্রয়োজন। সেই জমি কী ভাবে ব্যবহার করা হয়, কোথায় কতটা সেচের কাজ হয়, পানি কোথায় ও কীভাবে নদীকে গিয়ে পড়ে- এ সব জানা প্রয়োজন। তা থেকেই সেই নদীর নির্ভরযোগ্য মডেল তৈরি করা সম্ভব।
সূত্র : ডয়চে ভেল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ