• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

তালপট্টি নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নেই: কৃষিমন্ত্রী

Motiaঢাকা : ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি মামলায় দক্ষিণ তালপট্টি হারানো প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, দক্ষিণ তালপট্টি মানচিত্রে নেই। যা বাস্তবে নেই তা নিয়ে মাথা ঘামানোর কিছু নেই।

বুধবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বাংলাদেশ-ভারত সমুদ্রসীমা নির্ধারণী মামলার রায় উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এই রায়ে বাংলাদেশের বিজয় হয়েছে। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে নৌকা মার্কা ক্ষমতায় আসার  কারণেই এই বিজয় সম্ভব হয়েছে। অন্যথায় এ বিজয় সম্ভব হতো না।

মতিয়া বলেন, এ বিজয় শেখ হাসিনার। এ বিজয় ৩০ লক্ষ শহীদের। শেখ হাসিনার পক্ষেই এ বিজয় সম্ভব। এ বিজয় আমরা ঢাল তলোয়ার দিয়ে মল্লযুদ্ধ করে করিনি। আন্তর্জাতিক আদালতে সালিশের মাধ্যমে আমরা ন্যায্য অধিকার আদায় করতে সক্ষম হয়েছি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, রায় নিয়ে বিএনপি এখন আবোল তাবোল কথাবার্তা বলছে। তালপট্টি মানচিত্রে নেই। যা মানচিত্রে নেই, তারা এখন সেটা নিয়ে কথা বলছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আপনিও (খালেদা) তো ক্ষমতায় ছিলেন। তখন কেন একদিনের জন্যও সমুদ্রসীমা নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেননি। আদালতেও যাননি। এখন কেন মায়াকান্না করছেন?

বিএনপি নেতা মেজর (অব.) হাফিজকে উদ্দেশ্য করে মতিয়া বলেন, আপনি তো মেজর ছিলেন। তখন কেন শক্তি প্রদর্শন করলেন না। কুম্ভের মতো ঘুমিয়ে ছিলেন কেন?। একসময় তো পানিসম্পদ মন্ত্রীও ছিলেন। তখন কেন একদিনের জন্যও সমুদ্রসীমা বা তালপট্টি নিয়ে কিছু বলেননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ