• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

গাইবান্ধায় সেকায়েপ প্রকল্প কাজে আসছে না

gaibandhaগাইবান্ধা : গাইবান্ধার সাঘাটায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে সেকায়েপ প্রকল্প কোন কাজে আসছে না। প্রকল্পের নিয়োগকৃত রিসোর্স শিক্ষক (আরটি) ও স্কুল শিক্ষকরা (এসটি) কোন ক্লাসে উপস্থিত হচ্ছেন না। ক্লাস না নিয়েই শিক্ষা অধিদপ্তরের কোটি কোটি টাকা সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকদের সাথে আতাত করে ভাগবাটোয়ারা করে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিকে নিয়োগকৃত শিক্ষকরা  ক্লাসে উপস্থিত না থাকার দায়ে উপজেলার ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে কারণ দর্শানো নোটিস দেয়া হয়েছে।
দুর্বল শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে পারদর্শি করার লক্ষে ২০১০ সাল থেকে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় উপজেলার ২৪টি মাধ্যমিক স্কুল ও ২ টি মাদ্রাসায় অতিরিক্ত ক্লাসের ব্যবস্থা নেয়া হয়। সেকেন্ডারি এডুকেশান কোয়ালিটি এন্ড এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে এটি বাস্তবায়ন করেন। বিদ্যালয়ের সময়সূচী মোতাবেক ছুটির দিনে ক্লাসগুলো নেয়ার কথা।
প্রকল্পের শুরুর দিকে ক্লাস নেয়ার বিষয়ে স্বচ্ছতা থাকলেও সংশ্লিষ্ট চতুর প্রতিষ্ঠান প্রধানদের যোগসাজসে নিয়োগকৃত শিক্ষকরা ক্লাসে উপস্থিতি কমে দেন। এমনকি একদিনও ক্লাস না নিয়েই বেতনভাতা ঠিকঠাক মতোই নিতে থাকেন তারা। এমন অভিযোগের সত্যতা খুজতে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে অভিযানে আসেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এরই মধ্যে অতিরিক্ত ক্লাসে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের উপস্থিতি না পেয়ে  উপজেলার মথরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, কচুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ওসমানেরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে  কারণ দর্শানো নোটিস প্রদান করা হয়।
অতিরিক্ত ক্লাসে শিক্ষক উপস্থিতি না থাকার বিষয়ে কথা হলে মথরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বলেন, ক্লাস নেই বা না নেই আমাদের ব্যাপার। কারো কিছু করার নেই বলেও নেতিবাচক মন্তব্য করেন তিনি। কারণ দর্শানোর নোটিস বিষয়ে তিনি বলেন, শিক্ষককে ছুটি দিয়েছি। তাই উপস্থিত ছিলো না। এটি আমি ভুল করেছি।
মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ আলম পারভেজ জানান, প্রকল্পের শিক্ষকরা ক্লাসে উপস্থিত না থাকার বিষয়টি শুনেছি। সে কারণেই কারণ দর্শানো নোটিস। এদিকে কারণ দর্শানোর নোটিস পেয়েও প্রতিষ্ঠান প্রধানরা জনাবের কপি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিচ্ছেনা না বলেও অভিযোগ তার।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ