• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

চিরিরবন্দরে তিন মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন

SAM_1069শাহজাহান/সাদেকুল: আদালতের নির্দেশে চিরিরবন্দর থানা পুলিশ তিন মাস পর কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে স্কুল ছাত্রের লাশ । আজ মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়নের মাষ্টারপাড়া কবরস্থান থেকে কাজল (১০) নামের ওই ছাত্রের লাশ তোলা হয়। এসময় দিনাজপুরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আব্দুল হালিম টলস্টয় উপস্থিত ছিলেন।
মামলার সূত্রমতে, চলতি বছরের ১৮ এপ্রিল উক্ত মাস্টার পাড়ার শহীদুল ইসলাম ওরফে কালামের পুত্র ইমরান হোসেন ওরফে কাজলের (১০) লাশ উত্তর পলাশবাড়ী গ্রামের মহির উদ্দিনের ডোবা থেকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী। পরে ময়নাতদন্ত ছাড়াই কাজলের লাশ দাফন করা হয়। দাফনের পর কাজলের বাবা জানতে পারে তার পুত্র কাজলকে ওই গ্রামের মহির উদ্দিন, নাজমুল হুদা ও শাহজাহান মিলে হত্যা করে। হত্যার ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য হত্যাকারীরা কাজলের লাশ ডোবার পানিতে ফেলে দিয়ে ডুবে মারা গেছে মর্মে প্রচার চালায়।
SAM_1047কাজলের বাবা শহিদুল ইসলাম জানায়, হত্যার ঘটনাটি জানতে পেরে ২২ এপ্রিল চিরিরবন্দর থানায় মামলা করতে গেলে থানা কর্তৃপক্ষ তা গ্রহণ করেননি।SAM_1061 পরে উপায়হীন হয়ে গত ৪ জুন ওই তিন জনকে আসামী করে ১ম শ্রেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের আমলী আদালত-৩, দিনাজপুরে একটি হত্যা মামলা দায়ের করি। আদালতের বিচারক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের স্বার্থে কবর থেকে কাজলের লাশ উত্তোলন করার নির্দেশ দেয়। সেই সাথে ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহিদুল ইসলামকে ভিসেরা রিপোর্টের ভিত্তিতে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।
মঙ্গলবার লাশ উত্তোলনের সময় ওই গ্রামের বাদশা, হুসেন, জাকির, খোরশেদ সিসিনিউজকে জানান, হত্যাকান্ডে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য আসামীদের প্ররোচনায় আমরা গ্রামবাসী কাজলের লাশ দাফন করেছিলাম। তারা জানান, কাজলের লাশ দাফনের পর কবর থেকে তার লাশটি চুরি করতে দূস্কৃতিকারীরা রাতের আধারে আনাগোনা করেছিল। এসময় আমাদের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। আর এ চুরি ঠেকাতে বৃষ্টি বাদল উপেক্ষা করে কবরের পাশে পলিথিন দিয়ে তৈরী ছাউনিতে রাত জেগে পাহারা দিয়েছে কাজলের বাবা শহীদুল ইসলাম। এলাকাবাসী এই মামলার সঠিক তদন্ত পূর্বক দোষিদের শাস্তি দাবী করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ