• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

নীলফামারীতে পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দি

Nilphamari Tista Flood-01নীলফামারী প্রতিনিধি: অব্যাহত ভারী বর্ষন ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার পাঁচ সেন্টিমিটার ওপড় দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তা নদী বেষ্টিত জেলার ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় তিস্তা ব্যারাজের (৪৪টি) সবকটি স্লুইচ গেট খুলে রেখেছে  পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ। এদিকে তিস্তায় পানি বিপদ সীমার ওপড় দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় সাথে সাথে জেলার ওপড় দিয়ে প্রবাহিত বুড়ি তিস্তা, চাড়ালকাটা, ধাইজান, বুড়ি খোড়া, দেওনাই, শালকিসহ সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এই নদ-নদী এলাকার  নিম্নাঞ্চল গুলো প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, অব্যাহত ভারী বর্ষণ আর উজানের  ঢলের কারনে ডালিয়ায় অবস্থিত তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে বুধবার ভোর ৬টায় তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৪০ মিটার) ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে বেলা ১২টায় তা কমে বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
এদিকে তিস্তায় পানি বৃদ্ধির ফলে তিস্তানদী বেষ্টিত ডিমলার পুর্ব ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি-গয়াবাড়ি, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী ইউনিয়নের ১২টি ও জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের ও কৈমারী ইউনিয়নের তিনটিসহ মোট ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এতে এই গ্রাম গুলোর অন্তত পাঁচ সহস্রাধিক পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
ডিমলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম ও জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বলেন, উজানের পাহাড়ী ঢলের কারনে তিস্তা নদীর পানি বাড়ছে আবার কমে যাচ্ছে। এ কারনে টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা বেস্টিত চড় খড়িবাড়ি, উত্তর খড়িবাড়ি ও পুর্ব খড়িবাড়ি গ্রামের বসবাসরত পরিবারগুলো পানিবন্দি হয়ে পড়ছেন। তবে দুপুরের পর থেকে নদীতে পানি কমতে থাকায় এসব এলাকার পানিও নামতে শুরু করেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহড়ী ঢল আর অব্যাহত ভারী বর্ষণে কারনে ডালিয়ায় অবস্থিত তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বুধবার ভোর ৬টায় বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার ওপড় দিয়ে প্রবাহিত হলেও  বেলা ১২টায় তা  তিন সেন্টিমিটার কমে ২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এখন পানি কমছে।
এদিকে নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোড জানায়, বেশ কয়েক দিনের ভারী বর্ষন ও পাহাড়ী ঢলের কারনে তিস্তা নদীর পাশাপাশি জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত বুড়ি তিস্তা, চাড়ালকাটা, ধাইজান, বুড়ি খোড়া, দেওনাই, শালকিসহ সব নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে এই নদ-নদী এলাকার নিম্নাঞ্চল গুলো প্লাবিত হয়ে পড়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ