সিসিনিউজ: আগামী নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দল হবে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)। কারণ, বিএনপি জামায়াতকে রাজনৈতিক শরিক করায় জনগণের সমর্থন হারিয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে দশম সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপি। বর্তমানে তারা সম্পূর্ণ জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
সোমবার কর্নেল তাহের দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মাল্টিপারপাস হলে কর্নেল তাহেরের ৩৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে জাসদ।
বিএনপি চেয়ারপারসনের স্বামী জিয়াউর রহমানই কর্নেল তাহেরকে সামরিক আদালতে বিচারের নামে প্রহসন ঘটিয়ে ফাঁসি দিয়ে হত্যা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা বলেন, কর্নেল তাহের বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ফিরিয়ে আনতে চেয়েছিলেন। উচ্চাভিলাসী সশস্ত্র বাহিনীর হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে তার চেষ্টার ত্রুটি ছিল না। ১৯৭৬ সালে দেশ যখন অন্ধকারের অতল গহ্বরে হারিয়ে যাচ্ছিল, জাসদ তখন রাষ্ট্র ক্ষমতা দখলের মরণ কামড় দিয়ে ব্যর্থ হয়েছে।
রাজনৈতিক কারণে জাসদ তখন সামরিক শাসনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। এজন্যই জিয়াউর রহমান পরিকল্পিত তাহেরকে হত্যা করেন। তাহেরের পার্টি জাসদ গরিব ও মেহনতি মানুষের পক্ষে ছিল, আছে, থাকবে।
জাসদকে সকল রাজনৈতিক দল ভয় পায়। তাই সম্প্রতি সংসদে পরিকল্পিতভাবে বির্তক শুরু হয়েছে। জাসদ নেতারা দল ত্যাগ করেননি। আওয়ামীলীগ-বিএনপির বহু মন্ত্রী অন্যদলে গিয়েছিলেন। ন্যায় সমাজ প্রতিষ্ঠায় জাসদের লক্ষ্য সব সময় অটুট।
আলোচনায় অংশ নেন, জাসদের সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এমপি, কার্যকরী সভাপতি মইনউদ্দিন খান বাদল এমপি, সাধারণ সম্পাদক শরীফ নুরুল আম্বিয়া, তাহেরের স্ত্রী লুৎফা তাহের, ছোট ভাই ড. আনোয়ার হোসেন, মীর হোসেন আক্তার প্রমুখ।