• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা সৈয়দপুরে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

আন্দোলনে ২০ দলকে শক্তি যোগাবে শিবির

Sibirসিসিনিউজ : আসন্ন ঈদের পর সরকারবিরোধী আন্দোলনে ২০ দলীয় জোটকে শক্তি যোগাবে জামায়াতের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্র শিবির। শিবির নেতারা বলছেন, তারা সরকারের অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে যে কোনো সময় প্রতিবাদ জানাতে প্রস্তুত। আর সরকারবিরোধী আন্দোলনে তারা সর্বাত্মক ভূমিকা রাখারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ছাত্রশিবিরকে কোনঠাসা করতে নানা কৌশল নেয় ছাত্রলীগ। হামলা ও মামলার শিকার হতে থাকেন ছাত্র শিবিবের নেতা-কর্মীরা। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রলীগ ও পুলিশ একত্রিত হয়ে যৌথভাবে শিবিরবিরোধী অভিযানে নামে।

দেশের বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র শিবিবের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনা নিত্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। আর ওইসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলা দিয়ে জর্জরিত করা হয় শিবির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের। কথিত ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছে বেশ কয়েকজন শিবির নেতাকে। গুম করা হয়েছে আরো অনেককে। রিমান্ডের নামে পুলিশ শিবিরের তৎকালীন সভাপতি দেলোয়ার হোসেনকে পিটিয়ে পঙ্গু করে দিয়েছে।

সব মিলিয়ে গত আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে এসে কঠিন চাপে রাখা হয় ছাত্রশিবিররকে। প্রশাসন ছাত্র শিবিরকে প্রকাশ্যে কোনো মিছিল-মিটিং করতে দেয়নি। ছাত্রশিবিরের সকল আন্দোলনকে ‘অগণতান্ত্রিক ও ধ্বংসাত্মক’ আখ্যা দিয়ে পুলিশের পাশাপাশি ছাত্রলীগ ও বাম দলের ছাত্রসংঠনগুলোও মোকাবেলার ঘোষণা দেয়। দেশের বিভিন্ন স্থানে এ নিয়ে বেশ অরাজক পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়।

ওই সময় ১৮ দলের সঙ্গে সরকারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শিবির। আন্দালনে এই সংগঠনটি কখনো রাজপথ ছাড়েনি।

তবে ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর কিছুটা ডুব দেয় শিবির। এরপর থেকে তাদেরকে রাজপথে তেমন কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করতে দেখা যায়নি।

বর্তমানে শিবির ঘর গোছাতে ব্যস্ত রয়েছে বলে দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানিয়েছে। তাছাড়া সংগঠনটি সামাজিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত সময় পার করছে। বর্তমানে এ সংগঠনের নেতারা কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা, রমজানে ইফতার মাহফিল, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণসহ নিজেদের পক্ষে জনমত সৃষ্টিকারী নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। সাংগঠনিক মানোন্নয়নের টার্গেট নিয়েও এগুচ্ছে ছাত্রশিবির।

শিবিরের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী দিনে রাজপথে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংগঠনটি। ঈদ পরবর্তী ২০ দলের সকল আন্দোলনে শক্তি যোগাবে শিবির। সে লক্ষ্যে সংগঠনটির প্রস্তুতিও রয়েছে।

এ বিষয়ে কথা হয় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সহকারী প্রচার সম্পাদক জামাল উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, শিবির সবসময় রাজপথে ছিলো। আগামী দিনেও থাকবে। ঈদ পরবর্তী ২০ দলের আন্দোলনে শিবির রাজপথে থাকবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই রাজপথে থাকবে শিবির। আর শিবিরের রাজপথে থাকার জন্য নতুন করে কোনো প্রস্তুতি নেওয়া লাগে না। যে কোনো দিন যে কোনো আন্দোলন সফল করার ক্ষমতা শিবিবের আছে।

জামাল উদ্দিন আরো বলেন, অন্য কোনো ছাত্র সংগঠন আন্দোলনে না থাকলে শিবির মাঠে থাকবে। ঈদের পর সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, সরকার বর্তমান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে বিশেষ করে জামায়াত ও শিবির দমনে সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করছে। সরকারের সকল অন্যায়ের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে শিবির। উৎস: শীর্ষ নিউজ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ