• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

রাজিবপুরে জনতার হাতে নিম্নমানের চালসহ চাতাল মালিক আটক

Rajibpur pictur 24,07,2014 (2)আতাউর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলা খাদ্য গুদামে নিম্নমানের খাওয়ার অযোগ্য চাল ক্রয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চাতাল মালিকদের সঙ্গে আতাত করে গুদাম কর্মকর্তা ওই সব নিম্নমানের চাল গুদামজাত করার সময় গুদামের সামন থেকে স্থানীয় জনতা আবুল হাশেম নামের চাতাল মালিকসহ ১২৯ বস্তা (৫০ কেজি ওজনের) সাড়ে ৬টন চাল আটক করে। এর আগেই একই ধরনের ৩০ বস্তা চাল গুদামে নেওয়াও হয়েছে। এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলাকবাসির কাছে আটককৃত চালের বস্তা খুলে নিম্নমানের চালের সত্যতা পাওয়ায় থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চাতাল মালিককে গ্রেপ্তার করে এবং নিম্নমানের ১২৯ বস্তা জব্দ করে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহষ্পতিবার বিকেলের।

অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার কাগজে কলমে ১৫টি চাতাল মালিক রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে ৩টা চাতালে চাল তৈরি করা হয়। বাকী চাতাল গুলো কাগজে কলমে যার কোনো অস্তিত্ব নেই। বাস্তবে চাতাল না থাকলেও চাতাল মালিক সেজে গুদামে চাল বিক্রি করেন। ওই সব চাতাল মালিকরা বিভিন্ন টিআর কর্মসুচী ও ওএমএস কর্মসূচীর চাল কিনে গুদামে বিক্রি করে থাকেন। আর এজন্য গুদাম কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকের সঙ্গে চুক্তি করতে হয়। টন প্রতি ঘুষ গ্রহণ করে চাল ব্যবসায়িদের কাছ থেকে নিম্নমানের এবং খাওয়ার অযোগ্য চাল ক্রয় করা হয়েছে। যা সরেজমিনে তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে আসল চিত্র। গুদামের একটি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ঈদের আগে ভিজিএফ কর্মসূচী, ভিজিডি ও টিআর কর্মসূচীর চাল কিনে গুদাম কর্মকর্তা সরকারি চাহিদা সমন্বয় করে নিচ্ছে।

উপজেলা খাদ্য গুদাম কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ৩৬২ টন চাল সরকারি ভাবে ক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুসারে চাতাল মালিকদের কাছ থেকে নিদির্ষ্ট আর্দ্রতা সম্পন্ন প্রতিকেজি চাল ৩১ টাকা দরে ক্রয় করা হবে। এরই মধ্যে দেড়শ’ টন চাল ক্রয়ও করা হয়েছে।

নিম্নমানের চাল গুদামজাত করার বিষয়টি অস্বীকার করে গুদাম কর্মকর্তা আজিজুল হক বলেন, ‘যে চাল গুলো এলাকাবাসি আটক করেছে তা গুদামের বাইরে থেকে। আর নিম্নমানের চাল গুদামে নিয়ে আসলেই যে আমি তা গুদামজাত করব তা তো নয়। আমি সরকারি নিয়মের মধ্যে চাল কিনবে। যদি চাল খারাব হয় তাহলে ফেরত পাঠাবো।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ খান জানান, এলাকাবাসি আটকের পর আমি দেখেছি চালগুলো আসলেই নিম্নমানের। পরে থানা পুলিশকে ব্যবস্থ নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

রাজিবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম জানান, ১২৯ বস্তা চালসহ গাড়ি থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। চাতাল মালিক আবুল হাশেম আটক করা হয়েছে এবং তাকে আটক করা হয়েছে ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ