স্বাস্থ্য ডেস্ক: নানা ওষুধপত্র আর শল্যচিকিৎসকদের ছুরির নিচে হূদরোগ এখন আর দুরারোগ্য নয়। এমনকি আস্ত হৃৎপিণ্ড বদলে ফেলার দিনও হয়তো আর খুব দূরে নেই। কিন্তু মনের রোগের কার্যকারণ আর তা থেকে পরিত্রাণের পথ যে এখনো অনেকটাই কুয়াশায় ঢাকা। তবে, এবার বোধ হয় আঁধার পথের শেষ মাথায় আলোর দেখা মিলতে চলল। মানুষের শরীরে ১০০টির মতো জিনের দেখা মিলেছে, যেগুলো ‘সিজোফ্রেনিয়া’র মতো মানসিক রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে।গবেষক দলের প্রধান অধ্যাপক মাইকেল ও’ডনোভান এমনটিই মনে করছেন। তিনি বলেছেন, ‘অনেক দিন ধরে চালানো নানা গবেষণায় দুর্বল ফলাফলের কারণে সিজোফ্রেনিয়ার মতো রোগের চিকিত্সা ব্যাহত হচ্ছিল। তবে এতদিন অজানা এই জিনগুলোর মাধ্যমে উন্নত চিকিত্সা সম্ভব হতে পারে।’
গবেষক দলের আরেক সদস্য ডেভিড কার্টিস বলছেন, ‘এই গবেষণা, চিকিত্সাবিজ্ঞানের অন্যান্য রোগের মতো মানসিক রোগের চিকিত্সায়ও সাহায্য করবে।’ আশাবাদী এই গবেষক আরও বলেন, ‘একটা সময় ছিল যখন আমরা মানসিক সমস্যাকে অন্যান্য রোগের মতো অসুখ মনে করতাম না। এই গবেষণার ফলে আস্থার সঙ্গে বলা যেতে পারে মানসিক সমস্যা আসলে জিনের ভুল পথে যাওয়া কিংবা মস্তিষ্কে ভুল বার্তা প্রেরণের কারণেই হয়।’ কে জানে, পথ হারানো জিনগুলোকে কোনো উপায়ে ঠিক পথে আনতে পারলেই হয়তো সেরে যাবে মানসিক রোগ। উৎসঃ প্রথম আলো