• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ব্রহ্মপুত্র নদের রাজীবপুর-গাইবান্ধা নৌরুটে বেড়েছে ডাকাতি

Dakatiআতাউর রহমান, রাজীবপুর (কুড়িগ্রাম): ব্রহ্মপুত্র নদে রাজীবপুর-গাইবান্ধা নৌরুটে আবারো নৌকা ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্যবসায়িদের বহনকারি নৌকা ডাকাতির ঘটনাটি ঘটেছে গাইবান্ধা সদর থানার অধিনে ছেড়িমারা চর নামক স্থানে। এসময় ডাকাতদল ব্যবসায়িদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন সেটসহ প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকা লুট করে নেয়।
রাজীবপুর নৌকাঘাট সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, সকাল ৯টার দিকে রাজীবপুরের নয়াচর ঘাট থেকে গাইবান্ধার বালাসি ঘাটের উদ্দেশ্যে ব্যবসায়িদের একটি নৌকা রওনা হয়। নৌকাটি গাইবান্ধা সদর থানার অধিনে ছেড়িমারা চর নামক স্থানে পৌছলে ডাকাত দলের কবলে পড়ে।
এর আগে ওই নৌরুটে ২৭ ও ১৮ জুলাই একই স্থানে ঈদে ঘর ফেরা যাত্রিবাহি নৌকায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। এনিয়ে গত ১৫দিনে ৩বার ডাকাতির ঘটনা ঘটল। এর ফলে ব্রহ্মপুত্র নৌরুটের রাজীবপুর থেকে গাইবান্ধা, চিলমারী এবং রৌমারী থেকে চিলমারী, কুড়িগ্রাম নৌরুটে ডাকাত আতংক দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ব্রহ্মপুত্র নদের ছেড়িমারা, হাঁসধরা ও সিদাই নামক স্থানে ডাকাতদের আস্তানা গড়ে উঠছে।
ডাকাতির শিকার ওই নৌকার মাঝি বাদশা মিয়া জানান, ওৎপেতে থাকা ডাকাতদল অন্য একটি নৌকা নিয়ে আমাদের নৌকার গতিরোধ করে। এসময় ডাকাতরা ৩/৪ রাউন্ড গুলি বর্ষণও করে। এরপর দা ছুরি ও লাঠি দিয়ে যাত্রিদের এলোপাথারি ভাবে মারপিট করে ডাকাতরা। এতে যাত্রিদের কাছ থেকে মোবাইল ফোনসেট ও নগদ টাকা লুট করে ডাকাতরা।
ব্রহ্মপুত্র নৌরুটে ডাকাতি বন্ধে স্থাপিত কুড়িগ্রামের ঢুষমারা থানার ওসি ফরিদ হোসেন জানান, যে স্থানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে সেই জায়গা গাইবান্ধা সদর থানার অধিনে বলে আমি জানতে পেরেছি। গাইবান্ধা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাজিউল আহমেদ বলেন, ‘আমার থানার অধিনে কোনো ডাকাতির ঘটনা ঘটেনি। অন্য থানায় খোঁজ নিয়ে দেখেন।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ