• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

বাবার বাড়ির সামনে অশ্রুসিক্ত প্রধানমন্ত্রী

Hasinaঢাকা: ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির সামনে এক অনুষ্ঠানে বারবার অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  আবেগ জড়িত কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ছিলাম দেশের বাইরে স্বামীর কর্মস্থলে। ঘরভর্তি মানুষ রেখে বিদায় নিয়েছিলাম। কিন্তু এসে বিমান বন্দরে লাখ লাখ মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি। কিন্তু আমার পরিবারের কাউকে পেলাম না।’

১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান তাকে দেশে আসতে বাধা দিয়েছিল দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মৃত্যুকে পরোয়া করি না। এজন্য দেশে এসেছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমার লক্ষ্য।’

বাংলাদেশ কৃষক লীগ আয়োজিত রক্তদান কর্মসূচি ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বঙ্গবন্ধুর বাড়ির দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করে তিনি বলেন, ‘এই বাড়িতে আমরা মিলাদ পড়তে চেয়েছিলাম। কিন্তু জিয়া অনুমতি দেয়নি। রাস্তার ওপর মিলাদ পড়েছি। এটা বাস্তব সত্য কথা। কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসেনি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।’

জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দিয়েছিলেন দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জিয়া ক্ষমতায় এসে ১১ হাজার যুদ্ধাপরাধীতে ছেড়ে দেয়। বাংলাদেশকে পাকিস্তানের প্রদেশ বানানোর ষড়যন্ত্র শুরু করে। কিন্তু রক্ত দিয়ে যে দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে তাদের কেউ দাবায় রাখতে পারে না। ২১ বছর তারা সত্য ইতিহাসকে চেপে রেখেছিল সেটাও পারেনি।’ বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের বাকি খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে বলেও জানান শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষ একজনের শোক সইতে পারে না। আমার আর রেহানার কথা ভেবে দেখেন। আমরা সবাইকে হারিয়েছি। আমরা শোকে কাতর হয়েছি। কিন্তু ভেঙে পড়িনি। যাদের মুক্তির জন্য আমার মা-বাবা সবাই জীবন দিল তাদের মুক্তির জন্য কাজ করে যাচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জাতির পিতা দেশ গড়েছেন, আমি সেটাই বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছি। মহৎ অর্জনের জন্য প্রয়োজন মহান ত্যাগ স্বীকার। আমি যেকোনো ত্যাগ স্বীকারের জন্য প্রস্তুত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে অনেক ষড়যন্ত্র ছিল। সেটা অতিক্রম করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাবো। বাংলাদেশকে বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে অধিষ্টিত করবো।’

তিনি বলেন, ‘১৯৮১ সালে দেশে ফেরার পর বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকদের পাশে না পেলে এভাবে দেশের উন্নতি করতে পারতাম না। কোনো আত্মত্যাগ বৃথা যেতে পারে না, বৃথা যাবে না। এখনো বড় বড় জায়গা থেকে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এগিয়ে যাবো। বঙ্গবন্ধু তোমাকে কথা দিলাম, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’

কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন, আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায় সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক, কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা, সহ-সভাপতি শেখ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ