• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডেঙ্গু প্রতিষেধক টিকা তৈরিতে সাফল্য

untitled-1_45241স্বাস্থ্য ডেস্ক: প্রতিষেধক টিকার মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ করা গেলে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব৷ বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে গবেষণা করছেন দীর্ঘদিন ধরে৷ স¤প্রতি একটি প্রতিষেধকের তৃতীয় পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে৷

ওষুধ প্রস্তুতকারী ফরাসি প্রতিষ্ঠান সানোফি পাস্ট্যোর এশিয়ায় এই পরীক্ষা চালিয়েছে৷

প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা এবং উন্নয়ন বিভাগের প্রধান জন শিভার বলেছেন, ডেঙ্গুকে টিকা দিয়ে প্রতিরোধ করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা৷

সাধারণত কোনো ভ্যাকসিন বা টিকা পেটেন্ট এবং বাজারে ছাড়ার আগে চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষাকে বলা হয় তৃতীয় মাত্রার পরীক্ষা৷ অবশ্য তারপরও পুরো শঙ্কা কাটেনি। ডেঙ্গুর টিকার এ পরীক্ষায় সানোফি পাস্ট্যোর খুব বেশি সাফল্য অর্জন করেনি৷ তাদের পরীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, দুই থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে এই টিকার সাফল্য মাত্র ৫৬ দশমিক পাঁচ শতাংশ৷

সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজি ইউনিভার্সিটির গবেষক অ্যানেলিস উইল্ডার-স্মিথ এ বিষয়ে বলেন, আমাদের প্রত্যাশার তুলনায় ফলাফল অনেক কম হয়েছে৷ আমাদের ধারণা ছিল এ টিকা ৯০ শতাংশের বেশি সাফল্য দেখাতে সক্ষম হবে৷

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু সাধারণত চার প্রকারের হয়৷ আর পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিনটি এই চার প্রকারের ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে সমানভাবে কাজ করে না৷

ডেঙ্গু টাইপ ৩ এবং ৪ এর ক্ষেত্রে টিকাটির সাফল্য মাত্র ৭৫ শতাংশ৷ অন্যদিকে টাইপ ১ এর ক্ষেত্রে সাফল্য ৫০ শতাংশ আর টাইপ ২ এর ক্ষেত্রে সাফল্য মাত্র ৩৫ শতাংশ৷ অথচ এসব টাইপের যে কোনোটিই মানুষের শরীরে দেখা দিতে পারে৷ তাছাড়া সব মিলিয়ে ৫৬ শতাংশ

সাফল্যের অর্থ হচ্ছে বাকি ৪৬ শতাংশের ক্ষেত্রে এই টিকা কাজ করবে না৷

উইল্ডার-স্মিথ আরো জানান, বিশ্বের অনেক দেশে টাইপ ২ ডেঙ্গুর সংক্রমণই বেশি হয়৷ তাই সর্বশেষ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষার ফলাফল তার কাছে হতাশাজনক৷

উল্লেখ্য, প্রতি বছর পাঁচ লাখের মতো মানুষ মারাত্মক ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়৷এই ভাইরাসের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকিও থেকে যায়। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা বেশি। ফলে এটির কার্যকরী প্রতিষেধক তৈরিতে আরো গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা৷ সূত্র: ডি ডব্লিউ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ