সিসি ডেস্ক: নাটোরের গুরুদাসপুরে এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করায় শারমিন ডিনা (১৮) নামের এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বুধবার দুপুরে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পর এই ঘটনা ঘটে। শারমিন উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের আবুল হাসান বাবলুর মেয়ে।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম খান জানান, বিলচলন শহীদ সামসুজ্জোহা কলেজের এইচএসসি বিজ্ঞান বিভাগের পরীক্ষার্থী রুবায়েত শারমিন ডিনা এবার ওই কলেজ থেকে পরীক্ষা দেন। বুধবার দুপুরে পরীক্ষার ফলাফলে অকৃতকার্য হওয়ার খবর শুনে বাড়িতে নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।
এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ না পাওয়ায় পটুয়াখালীর দুমকিতে তানিয়া আক্তার নামে এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। অপ্রত্যাশিত ফলাফল পেয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে তানিয়া এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানা গেছে।
বুধবার দুপুরে উপজেলার শ্রীরামপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তানিয়া উপজেলার শ্রীরামপুরের আলতাফ খানের মেয়ে। সে দুমকি জনতা ডিগ্রি কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, এইচএসসি’র ফলাফল প্রকাশের পর তানিয়া আক্তার জানতে পারে সে ৪.৬০ (এ) গ্রেড পেয়ে উর্ত্তীণ হয়েছে।
তার সহপাঠীরা জানায়, ফলাফল প্রকাশের পর জিপিএ-৫ না পাওয়ায় তানিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তানিয়ার মৃত্যুর খবরে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে যায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও তার সহপাঠীরা। তানিয়ার মৃত্যুতে দুমকিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন পরিবেশ শোকে রূপ নিয়েছে। ঘটনার পর দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তানিয়াকে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ পটুয়াখালী হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।