• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

ডোমারে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

Oniomডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারীর ডোমারের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসকের তদন্তে অনিয়ম তথা আর্থিক কেলেঙ্কারি প্রমাণিত হওয়ার পরেও শিক্ষা সম্পর্কিত সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিদ্যালয়ের সভাপতির স্ত্রীকে নিয়োগ দেবার নিমিত্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে উঠে পড়ে লেগেছেন।

এ নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু রাখলে ঘটতে পারে যেকোনো সময় যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এমন দাবি এলাকাবাসীর। এ ঘটনাটি ঘটেছে জেলার ডোমার উপজেলার পাঙ্গা মহেশচন্দ্র লালা উচ্চ বিদ্যালয়ে। ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক অভিভাবক কমিটির সদস্য দুলাল হোসেনের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যেমিক শিক্ষা বোর্ড দিনাজপুরের বিদ্যালয় পরিদর্শক বরাবর দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, ওই বিদ্যালয়ের বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগসহ নানা অনিয়ম করছেন।

এনিয়ে জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সরকারের বিভিন্ন দফতরে একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়। সবশেষে ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক বরাবর দায়ের অভিযোগের তদন্ত করেন ডোমার উপজেলা মাধ্যেমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিদ্যালয় কমিটি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে উৎকোচ গ্রহণসহ আর্থিক কেলেঙ্কারির বিষয়টি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। গত ১০ অক্টোবর ২০১৪ জেলা প্রশাসক একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা নিজ বিভাগের তদন্ত শেষে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের পর জেলা প্রশাসকের ব্যাবস্থা গ্রহণের পূর্বেই বৃহস্পতিবার একই পদে একই বিজ্ঞাপনে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রত্যায়ন করেন।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার প্রত্যয়নের পর ওই পদে বিদ্যালয় সভাপতি তার স্ত্রীকে নিয়োগ দেয়ার সকল প্রস্তুতি শেষ করেছে। শিক্ষা বিভাগের তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দেবার এমন স্ববিরোধী আচরণকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর নিয়োগ দেবার নাম করে একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ করেন। পরে চাকরি না দিয়ে একজন প্রার্থীকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেন। যা নিয়ে আদালতে মামলা হলে তদন্তে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হয়।

তাছাড়া জমিদাতা আজীবন সদস্যকে কমিটিতে না নিয়ে তাদের পছন্দমত ব্যক্তি দিয়ে কমিটি গঠন, অন্যের জমি বিদ্যালয়ের বর্তমান সভাপতি বিদ্যালয়ের নামে লিখে দিয়ে আজীবন সদস্য, গাছ কেটে বিক্রি, বিদ্যালয়ের জমি দীর্ঘমেয়াদী বন্ধক প্রদানসহ বিস্তর অনিয়ম করছে বলে অভিযোগে উঠেছে।

এ ব্যাপারে নীলফামারী জেলা প্রশাসক জাকির হোসেন জানান, এখন পর্যন্ত তিনি কিছুই জানেন না। তবে তদন্ত প্রতিবেদন দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ