• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত

শাহ আলম, কুড়িগ্রাম: কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলার পানি এখনও বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপদসীমরি ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা ১৬ দিন পানি নেমে না যাওয়ায় প্রায় ৩ লাখ বানভাসী মানুষ অবর্ণনীয় কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। দুর্গত এলাকায় খাদ্য, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও জীবন রক্ষাকারী ঔষধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে পানি বাহিত নানা রোগ।
জেলার ২ শতাধিক চর ও দ্বীপ চরের বন্দী মানুষ জন বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধসহ উচু স্থানে আশ্রয় নিয়ে গবাদী পশুসহ অবর্ণনীয় কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। সরকারী ভাবে আশ্রয় কেন্দ্র না খোলায় বানভাসীরা খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে।
ত্রান বিতরনের সমন্বয় না থাকায় ত্রান সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল সংখ্যক বানভাসী। দুর্গম এলাকায় ত্রান না পাওয়ায় ক্ষোভ জানায় বানভাসীরা। গ্রামঞ্চলের সড়ক ও হাট-বাজার গুলো তলিয়ে থাকায় খাদ্য, ঔষধসহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারছে না তারা।
জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, জেলার প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন, সবজিসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে আছে।
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক এবিএম আজাদ জানান, বন্যার্তদের জন্য ১১ লাখ টাকা ও ৮শ মেট্রিক টন চাউল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বিতরন অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-প্রকৌশলী সবিবুর রহমান জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ৯ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৪০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে ২৬ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে সামান্য কমেছে নুন খাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ