রাতটা যখন চৌরঙ্গির মোড়ে এসে
থমকে দাড়ালো,
তখন করপোরেশনের নিয়ন লাইট গুলো
দপ দপ করে শেষ নি:শ্বাস করেছিল ত্যাগ,
আর কিছু রাতজাগা পাখিদের বুক ফাটা
আর্তনাদ পরিত্যক্ত রাজ বাড়ির দেয়ালে
মাথাকুটে মরছিল,
রাতটা যখন সরাই খানা ফেরত
নেশা খোরের কান্না শুনছিল
তখন ডুবে যাওয়া চাঁদ অন্ধকারের
খিরকি দুয়ার দিয়ে তাকিয়ে
পৃথিবীর করুন কান্নাকে বিদ্রপ বাণে
করছিল রক্তাক্ত বিভৎস্য
রাতটা আজও সেখানেই দাড়িয়ে আছে
আর অন্ধকারের প্রানীদের পায়ের আওয়াজ
গুনছে সে প্রাণপণে
কিন্তু সেই প্রানীদের সংখ্যা বাড়ছে দিনেদিনে
তাদেরপায়ের আওয়াজ প্রবল থেকে হচ্ছে প্রবল
এমনিভাবে রাতটা বুড়ো হতে হতে
এক সময় নিজেই যাবে হারিয়ে
হিসাব মিলাতে পারবেনা অন্ধকারের
সেই প্রানীকুলের পায়ের আওয়াজ
ও তার শব্দ ধ্বনী ।