সিসি নিউজ: মালয়েশীয়ার তেমীলরোতে রবিরার দুপুরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন বাংলাদেশের কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার তানভির আমান সাইমুন (২৬)। নিহত সাইমুনের গ্রামের বাড়ী নীলফামারী জেলা সদরের আল-হেলাল সড়কে নীল প্রতিভা পাড়ায়। সে জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার কর্মপরিষদ সদস্য ও জেলা জজ আদালতের সিনিয়র আইনজীবি এ্যাডভোকেট আমানউল্লার দ্বিতীয় ছেলে। এদিকে ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকে পরিবারটিতে চলছে শোকের মাতম। ছেলেকে হারিয়ে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছে পিতা-মাতা।
পরিবারের সূত্র মতে, ১০ মাস আগে এম.এস করার জন্য মালয়েশীয়ায় যান পরিবারটির ছোট ছেলে তানভির আনাম সাইমুন। লেখাপড়ার পাশাপাশি পার্টটাইম সেখানকার একটি বে-সরকারী কোম্পানিতে চাকরি করতেন। থাকতেন কুয়ালামপুরে। গত ১৫ থেকে ২০ দিন পূর্বে আগের কোম্পানির চাকরী ছেড়ে নতুন একটি কোম্পানিতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার পদে যোগ দেন। রবিবার দুপুরে সেই কোম্পানীর মালিক, মালিকের স্ত্রী সহ আরো কয়েকজন কারে করে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কারটি উল্টে যায়। এতে সাইমুন, কোম্পানীর মালিক , মালিকের স্ত্রী সহ চারজন গুরুত্বর আহত হন। আহতদের সেখানকার একটি স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তির পর পরেই সাইমুন মারা যায় এবং এর কিছু সময় পরেই মালিক ও তার স্ত্রী মারা যান । কারটি ওই কোম্পানীর মালিক নিজেই চালাচ্ছিলেন বলে জানা গেছে। বর্তমানে সাইমুনের লাশ তেমীলরো এলাকার একটি হাসপাতালে রয়েছে। সাইমুন নিহত হওযার খবরটি তার সহকর্মীরা রবিবার বিকেলে ফোনে পরিবারকে জানান। এদিকে মৃত্যুর খবরটি পাওয়ার পর থেকে শোকের মাতন চলছে পরিবারটিতে। সৎ ও সদাহাস্যাজ্বল সাইমুনের অকাল মৃত্যুর খবর শুনে তার বাড়ীতে ছুটে আসেন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষজন। নিহত সাইমুনের প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে হয়।
কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার সাইমুনের মৃত্যুতে শোক জানিয়ে শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এ্যাডভোকেট আব্দুল লতীফ, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আজিজুল ইসলাম, সেক্রেটারী আব্দুর রশিদ, সদর উপজেলা আমীর প্রভাষক খায়রুল আনাম ও শহর আমীর এ্যাডভোকেট আল ফারুক।