ঢাকা: বুধবার জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে দুটি বিল উত্থাপিত ও একটি পাস হয়েছে। উত্থাপিত বিল দুটি হচ্ছে- ‘বাংলাদেশ জ্বালানী ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১৪’ ও ‘ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (এমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০১৪।’ এছাড়া পাস হয়েছে ‘বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সংশোধন বিল, ২০১৪’।
উত্থাপিত দুটি বিল অধিকতর পরীক্ষা নিরীক্ষা করে রিপোর্ট দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ উত্থাপিত ‘বাংলাদেশ জ্বালানী ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১৪’-এ বিদ্যুৎ ও জ্বালানী বিষয়ে একটি গবেষণা কাউন্সিল গঠন করার বিধানের প্রস্তাব করা হয়েছে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহন করা হলেও গবেষণা ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়নি। জাতীয় চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে যুগোপযোগী গবেষণা পরিচালনা এবং বিদ্যমান গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সমূহের সমন্বয় সাধন অত্যাবশ্যক।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য দেশে একটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানী বিষয়ক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সৃষ্টির প্রয়োজন রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব গবেষনার পাশাপাশি দেশে বিদেশে বিদ্যমান গবেষনাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় সাধনসহ গবেষণায় প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ উত্থাপিত ‘ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ ( এমেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০১৪’ বিলে এই সংক্রান্ত ১৯৭২ সালে টিসিবি অর্ডারে কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার নিমিত্তে বাফার স্টক (আপদকালীন মজুদ) সৃষ্টি ও প্রয়োজনে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের অধীনে দরিদ্র শ্রেনীর মধ্যে সূলভমূল্যে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য টিসিবি অনুমোদিত মুলধন বৃদ্ধি আবশ্যক। এছাড়া বোর্ডের পরিচালক মনোনয়নের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবিত রূপরেখা কার্যকর হলে টিসিবির কর্মকাণ্ডে আরও গতিশীলতা আসবে। টিসিবি অর্ডার ১৯৭২ এর সংশোধন অতীব প্রয়োজন হওয়ায় বিলটি আনা হয়েছে।
এদিকে ডাক ও তার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর প্রস্তাবনায় সংসদে ইতিপূর্বে উত্থাপিত ‘বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ সংশোধন বিল,২০১৪’ সংসদে পাস হয়।