• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

আজ বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের শাহাদাত বার্ষিকী

jessore birsheto noor mohammad_5028888888_50288সিসি নিউজ: আজ জাতির শ্রেষ্ঠসন্তান বীর সেনানী নূর মোহাম্মদের শাহাদত বার্ষিকী। ১৯৭১ সালের এই দিনে তিনি পাকিস্তানি হানাদারদের সাথে যুদ্ধ করে শহীদ হন।

দেশের জন্য জীবন দিলেও অযত্ন, অবহেলায় নষ্ট হতে চলেছে যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুরস্থ তার স্মৃতিস্তম্ভটি। প্রাচীর ভেঙ্গে পড়ায় অরক্ষিত হয়ে পড়েছে মাজারটি।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সবুর জানান, নূর মোহাম্মদ তার শরীরের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে আমাদের স্বাধীন করে গেছেন। তাই তার মাজারের দূরাবস্থা থেকে দ্রুত উত্তরণে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

নূর মোহাম্মদের সন্তান এসএম গোলাম মোস্তফা কামাল অভিযোগ করেন, মাজার নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় তা নষ্ট হচ্ছে।

তিনি মনে করেন, জাতীয় বীরকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে এ মাজারকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া প্রয়োজন। আর নূর মোহাম্মদকে একদিনের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মান না দিয়ে তাকে সারা বছরই সম্মান দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

এদিকে, মাজারটিকে সংস্কার করে দর্শনীয় স্থান করতে সব ধরণের উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম শরিফুল আলম।

তিনি বলেন, মাজারের যে অংশের প্রাচীর ভেঙ্গে গেছে, তা আগামী ১০দিনের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সংস্কার করা হবে।

প্রসঙ্গত, বৃহত্তর যশোর জেলার নড়াইলের মহিশখোলা গ্রামে ১৯৩৬ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি জন্ম হয়েছিল বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মাদের। তাঁর পিতা ছিলেন মোহাম্মদ আমানত শেখ এবং মাতা মোসাম্মত জিন্নাতুন্নেসা খানম। স্থানীয় বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ সম্পন্ন করে ১৯৫৯ সালের ১৪ই মার্চ যোগদেন পূর্বপাকিস্তান রাইফেলস-এ। ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোরের গোয়ালহাটিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে এক সম্মুখ সমরে সহযোদ্ধাদের অবস্থান যুদ্ধক্ষেত্রে সুসংহত করতে নিজেই মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ আট নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক জেনারেল মঞ্জুরের নির্দেশে সীমান্তে নিয়োজিত হন। দীর্ঘদিনের সামরিক অভিজ্ঞতা থাকার দরুন একটি কোম্পানীর প্রধান নিযুক্ত করে গোয়ালহাটি গ্রামের সামনে স্থায়ী দায়িত্ব দেয়া হয় তাঁকে। সাবেক ইপিআর’র বাঙ্গালী সৈন্যদের নিয়ে তাঁর কোম্পানীটি গঠিত হয়েছিল।

নূর মোহাম্মদ একাই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে গেলেও ততক্ষণই লড়েছিলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না তার সঙ্গীদের অবস্থান নিরাপদ হয়। কিন্তু, সেই বীরের স্মৃতিস্তম্ভ আজ অরক্ষিত। ভেঙ্গে গেছে মাজারের প্রাচীরসহ অনেক স্থাপনা। এজন্য সংশ্লিষ্ট কর্র্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ