ডোমার প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে অপহরণের দুই মাসেও উদ্ধার হয়নি দরিদ্র পরিবারে মেধাবী কলেজ ছাত্রী পিংকি রায় (১৬)। তাকে উদ্ধারের বিষয় নিয়ে উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে পরিবারের সদস্যদের। পরিবারের অভিযোগ পুলিশের নিস্ক্রিয়তায় উদ্ধার হচ্ছে না পিংকি।
পিংকির বাবা ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের পশ্চিম বোড়াগাড়ী কাউয়াতলী গ্রামের মানিক চন্দ্র রায় জানান, ডোমার মহিলা ডিগ্রী কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী পিংকি। চলতি বছরের ১১ জুন সকাল আটটায় প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হলে গ্রামের চেয়াম্যান পাড়া নামক স্থানে একদল দূর্বত্ত তার পথ রোধ করে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে খুঁজে না পেয়ে গত ১৮ জুলাই তিনি নিজে বাদি হয়ে শাওন (২০), মিঠু (২০), বুলেট (২৩), চয়ন (২৪), হাফিজুল (২০), রবিউলকে (২৭) আসামী করে ডোমার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই বখাটেরা এর পূর্বেও কলেজ যাওয়া আসার পথে পিংকির পথ রোধ বিভিন্ন হয়রানী করেছিল বলে জানান। পুলিশের সাথে অপহরণকারীদের সখ্যতা থাকার অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘পিংকিকে অপহরণকারীরা প্রক্যাশ্যে ঘুড়ে বেড়ালেও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বরং অপহরণকারীর মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাকে আমাকে হুমকী প্রদান করছে।’ পুলিশের নিস্ক্রিয়তায় অপহরণের দুই মাসেও পিংকি উদ্ধার হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন।
পিংকির বাবা আরও বলেন,‘মেয়েকে ফেরৎ দেয়ার কথা বলে আমাকে ঢাকায় নিয়ে যায় আসামী শাওনের বাবা ছাইদুল ইসলাম। সে সময়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেছিল আমার কাছে। আমি গরীব মানুষ, টাকা দিতে না পারায় সেখান থেকে ফেরৎ দেয় আমাকে।’ আসামীরা তাকে পাচারের উদ্দেশ্যে অথবা কোন নিষিদ্ধ পল্লীতে বিক্রীর উদ্দেশে পিংকিকে অপহরণ করেছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
এ ব্যাপারে তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মিজান জানান, আমি সবেমাত্র বদলি হয়ে এসেছি, উদ্ধারের জোর তৎপরতা চলছে ,আশা করি খুব দ্রুত পিংকি উদ্ধার হবে ।