• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কারাগারে নেওয়ার সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: পুলিশ আহত মাদকের টাকার জন্য বাবাকে পিটিয়ে হত্যা, ছেলে পলাতক আইজিপির ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিল পুলিশ সদর দপ্তর দাঁড়িপাল্লার ছবি সরানোর উদ্যোগ, থাকছে নৌকা

নীলফামারীতে ইস্তফা দেয়ার পরেও শিক্ষক

nilphamari Mapসিসি নিউজ: নীলফামারীতে ইস্তফা দেবার পরেও একটি বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক বর্তমানে সরকারীকরনের পর্যায়ে গিয়ে সভাপতি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে পুনরায় শিক্ষক হিসাবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। এ কর্মটি করতে গিয়ে ওই বিদ্যালয়ের একজন বৈধ সহকারী শিক্ষিকার চাকুরী প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির ইচ্ছায় নেই বলে অভিযোগ উঠেছে। চাকুরী ফিরে ফিতে তিনি সরকারের বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দাখিল করেছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর দায়ের করা অভিযোগে জানা যায়, জেলার ডোমার উপজেলার জামিরবাড়ী মধ্যে পাড়া বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালযের সহকারী শিক্ষিকা তাছলিমা বেগম গত ৩১/০৩/২০১২ তারিখে ওই বিদ্যালযের ম্যানেজিং কমিটির নিয়োগ পত্র নিয়ে অদ্যাবদি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বিদ্যালয়ের চার জন শিক্ষকের মধ্যে জনৈকা মাধবী রানী গত ২৩/০৯/২০১৩ তারিখে চাকুরী হতে ইস্তফা দেন। বিদ্যালয় সভাপতি গত ৩০/০৯/২০১৩ তারিখে তা গ্রহন করেন। এরপর সভাপতি গত ২০/১২/২০১৩ তারিখে পত্রিকার মাধ্যেমে ঐ শুন্য পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। গত ০৯/০১/২০১৪ তারিখে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার গ্রহন করেন। ওই পরীক্ষার মাধ্যেমে গত ১৩/০১/২০১৪ তারিখে সভাপতি নিয়োগ পত্র প্রদান করায় সভাপতির মেয়ে কল্যানী রানী গত ১৫/০১/২০১৪ তারিখে ওই শুন্য পদে যোগদান করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের স্বারক নং-জেপ্রাশিঅ/নীল/৩২৩/৩(৭), তারিখঃ ২৭/০২/২০১৪খ্রিঃ। আজ শনিবার সরেজমিনে বিদ্যালয় পরিদর্শনে দেখা যায় করুন চিত্র। বিদ্যালয়টি স্থাপনের পর থেকে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষিকার ইচ্ছামত চলে আসছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবদি কোন সমাপনী পরীক্ষা হয়নি। শুধুমাত্র প্রথম শ্রেনীতে কাগজে কলমে ৫/৭ জন ছাত্র/ছাত্রী রয়েছে। অন্য কোন শ্রেনীতে কোন ছাত্র/ছাত্রী নেই। শিক্ষক ও ছাত্র/ছাত্রী হাজিরা খাতা সভাপতির বাড়ীতে রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে নেই কোন শিক্ষার পরিবেশ। মাঠে বিভিন্ন ফসলের চাষ ও এলাকাবাসী তাদের প্রয়োজননুযায়ী তা ব্যাবহার করছেন। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য সুশেন রায় জানান, কমিটিতে শুধুই তার নাম আছে। কোন কার্যক্রমে তাদের ডাক পড়ে না। সভাপতি ও প্রধান শিক্ষিকা তাদের ইচ্ছামত স্কুল চালাচ্ছেন। অপরদিকে সরকারের বেসরকারীকরনের ৩য় ধাপের ঘোষনার পর অজ্ঞাত কারনে ৩০/০১/২০১৪ তারিখে উপজেলা মাধ্যেমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে সভাপতির প্রেরিত শিক্ষক তালিকায় ইস্তফা দেয়া শিক্ষিকা মাধবী রানী ও তার স্থলে নিয়োগকৃত শিক্ষিকা সভাপতির মেয়ে কল্যানীর নাম থাকলেও পুর্বের শিক্ষিকা তাছলিমার না বাদ দেয়া হয়েছে। আবার সরকারীকরনের ঘোষনার পুর্বে ২১/০৪/২০১২ তারিখে সভাপতি কতৃক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রেরিত তালিকায় সহকারী শিক্ষিকা তাছলিমার নাম ছিল। হঠাৎ করে সরকারী ঘোষনার কারনে তৎকালীন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাজন আলী, বিদ্যালয় সভাপতি উপেন্দ্র নাথ রায় ও প্রধান শিক্ষিকা শাহানা আক্তার যোগ সাজশে এ কাজটি করেন বলে অভিযোগে প্রকাশ। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি উপেন্দ্র নাথ রায় সাংবাদিকদের সাথে কোন কথা বলতে রাজী না হওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায় নি। এ ব্যাপারে ডোমার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনছুর আলী সাবাদিকদের জানান, এ সংক্রান্ত কোন ফাইল তার অফিসে নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ